1 Answers
সুষম খাদ্য পৃথার স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। যে খাদ্যে দেহের চাহিদা অনুযায়ী পুষ্টি উপাদান পরিমিত পরিমাণে থাকে তাকে সুষম খাদ্য বলে। সুষম খাদ্য বয়স, লিঙ্গ, পরিশ্রম, শারীরিক অবস্থা, আবহাওয়া ও আয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়।
সুষম খাদ্যে প্রোটিন জাতীয় খাদ্য যেমনঃ মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ইত্যাদি মোট ক্যালরির ১৫-২০% থাকে। কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য যেমনঃ চাল, চিড়া, মুড়ি প্রভৃতি মোট ক্যালরির ৬০-৭০% থাকে। স্নেহজাতীয় খাদ্য যেমনঃ তেল, ঘি, মাখন প্রভৃতি মোট ক্যালরির ২০-২৫% থাকে। এছাড়াও অন্যান্য শাকসবজি ও ফলমূল পরিমিত পরিমাণে থাকে। সুষম খাদ্যে অন্যান্য সবজি ও ভিটামিনযুক্ত খাবার 'যেমনঃ ভিটামিন সি- কমলা, জাম্বুরা, পেয়ারা, ভিটামিন এ-সবুজ ও হলুদ শাকসবজি ও ফল ইত্যাদি পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে। পৃথা ১০ম শ্রেণিতে পড়ে। সে এখন কিশোরী। তার দৈহিক চাহিদা ও কাজের ভিত্তিতে এ সময় তার অনেক বেশি পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজন। যা সে সুষম খাদ্যের মাধ্যমে পেতে পারে। সুষম খাদ্য দেহে শক্তি যোগায়, দেহের বৃদ্ধি সাধন করে ও ক্ষয়পূরণ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
সুতরাং বলা যায় যে, সুষম খাদ্যের মাধ্যমে পৃথা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারে।