1 Answers

কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রিতার পরিপাক ও শোষণে সহায়ক। কার্বোহাইড্রেট অতি সহজে পরিপাক হয়ে দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে। মানুষের পরিপাকনালির মুখগহ্বর হতে শুরু করে পাকস্থলি, ডিওডেনাম, ইলিয়ামসহ প্রায় সকল অংশেই শর্করার পরিপাকক্রিয়া সংঘটিত হয়। সকল কার্বোহাইড্রেট পরিপাক শেষে মনোস্যাকারাইডরূপে ক্ষুদ্রান্ত্র দিয়ে শোষিত হয়। মনোস্যাকারাইডগুলো অতি উচ্চমাত্রায় পানিতে দ্রবণীয় ও ব্যাপনযোগ্য হওয়ায় এরা দ্রুত আন্ত্রিক পর্দার বাধা অতিক্রম করতে পারে।

পরিপাকতন্ত্রের সাহায্যে প্রোটিনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অ্যামাইনো এসিডে বিভক্ত হওয়াই প্রোটিনের পরিপাক। প্রোটিনের পরিপাক পাকস্থলিতে শুরু হয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে শেষ হয়। মুখ, গলবিল ও অন্ননালিতে প্রোটিন বিশ্লিষ্ট হতে পারে না। প্রোটিন পরিপাকের পর অ্যামাইনো এসিড উৎপন্ন হয়। উৎপন্ন অ্যামাইনো এসিড সাধারণত মধ্য ক্ষুদ্রান্ত্র ও শেষ ক্ষুদ্রান্ত্র থেকে শোষিত হয়ে রক্তে প্রবেশ করে। অ্যামাইনো এসিডগুলো সাধারণত সক্রিয় পদ্ধতিতে শোষিত হয়ে থাকে।

5 views

Related Questions