1 Answers
পড়াশোনা করে রাজিন তার পেশা নির্বাচন করতে পারবে। পেশা সম্বন্ধে জ্ঞানলাভ তারুণ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকাশ। পরিণত বয়সে সবাইকে কর্মক্ষেত্রে যেতে হয়। কিন্তু কোন পেশা ভবিষ্যত জীবনে সফলতা নিয়ে আসবে সেটা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে পেশা বাছাইয়ের ওপর।
রাজিনের ইচ্ছে চিকিৎসক হওয়া, কিন্তু তার পরিবার চায় সে-প্রকৌশলী হোক। স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য ছেলেমেয়েদের ওপর যেসব সামাজিক চাপ আসে পেশা নির্বাচনও সেরকম। মা-বাবা, শিক্ষক-শিক্ষিকা, সমসাময়িক ব্যক্তিবর্গ পেশা নির্বাচনে ছেলেমেয়েদের অনুপ্রাণিত করে। কারণ পেশা তাদের স্বাধীন করে, স্বাবলম্বী করে। যেকোনো পেশায় সাফল্য লাভের জন্য বুদ্ধি ছাড়াও দরকার অধ্যবসায়, সহিষ্ণুতা, ধৈর্য, সংযম, নিয়মানুবর্তিতা ও সময়ানুবর্তিতা। রাজিন যদি তার নিজের পছন্দ অনুযায়ী পেশা নির্বাচন করে এটি পরবর্তী কালে তার ক্ষমতা এবং আদর্শ ও মূল্যবোধ প্রকাশ করবে। পরিশেষে বলা যায়, সফল ও প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য পেশা নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।