1 Answers
মঞ্জুরের এলাকা শৈত্যপ্রবণ হওয়ায় কৃষকেরা তাদের এলাকায় শৈত্যসহিষ্ণু জাত ব্রি ধান ৩৬ ও ব্রি ধান ৫৫ চাষ করতে পারবে। আবার শাহীনের এলাকা খরাপ্রবণ হওয়ায় কৃষকেরা খরা সহিষ্ণু জাত ব্রি ধান ৫৬ ও ব্রি ধান ৫৭ চাষ করতে পারবে।
ব্রি ধান ৩৬ এর জীবনকাল ১৪০-১৪৫ দিন এবং ফলন হেক্টরপ্রতি ৫.০-৫.৫ টন। বীজ বপনের সময় যেসব এলাকায় তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যায় সেসব এলাকার জন্য এ জাতটি উপযোগী। ব্রি ধান ৫৫ এর বোরো মৌসুমে হেক্টর প্রতি গড় ফলন ৭ টন এবং আউশ মৌসুমে ৪.৫ টন। বোরো মৌসুমে জাতটি মাঝারি শৈত্য সহ্য করতে পারে বলে দেশের শৈত্যপ্রবণ এলাকায় চাষ করা যায়।
শাহীনের এলাকা খরাপ্রবণ। খরা দ্বারা আক্রান্ত এলাকায় সে ধান চাষ করতে চাইলে খরা সহিষ্ণু ধানের জাত ব্রি ধান ৫৬ ও ব্রি ধান ৫৭ চাষ করতে পারে। ব্রি ধান ৫৬ খরা কবলিত এলাকায় হেক্টরপ্রতি ৩.৫-৪.০ টন এবং খরা না হলে ৪.৫-৫.০ টন ফলন দিতে সক্ষম। ব্রি ধান ৫৭ খরা কবলিত অবস্থায় হেক্টর প্রতি ৩.০-৩.৫ টন এবং খরা না হলে ৪.০-৪.৫ টন ফলন দিতে সক্ষম। উত্ত জাত দুটির জীবনকাল কম বলে এরা খরা সহ্যের পাশাপাশি খরা এড়াতেও পারে। প্রজনন পর্যায়ে ১০-১৪ দিন বৃষ্টি না হলেও ফলনের তেমন কোনো ক্ষতি হয় না।
মঞ্জুর ও শাহীনের এলাকার কৃষকেরা ধান চাষের ক্ষেত্রে তাদের উৎপাদনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য এবং ভালো ফলন লাভের জন্য উল্লিখিত জাতের ধানগুলো চাষ করতে পারবে।