1 Answers

উদ্দীপকের বর্ণনানুযায়ী নির্বাচন কমিশন ডাটাবেজ তৈরিতে যে প্রযুক্তির সাহায্য নিয়েছিল তা হচ্ছে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি। বায়োমেট্রিক্স হচ্ছে এক ধরনের কৌশল যার মাধ্যমে মানুষের শারীরিক কাঠামো, আচার-আচরণ, বৈশিষ্ট্য গুণাগুণ, ব্যক্তিত্ব প্রভৃতি দ্বারা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে চিহ্নিতকরণ বা শনাক্তকরণ করা যায়। উদ্দীপকে নির্বাচন কমিশন ডেটাবেজ তৈরিতে মুখমন্ডলের ছবি, আঙুলের ছাপ এবং সিগনেচার সংগ্রহ করার কাজটি নিম্নরূপে সম্পন্ন করেছিলেন-

১. মুখমন্ডলের ছবি: এ ক্ষেত্রে পূর্ব হতে রক্ষিত স্যাম্পল মানের
সাথে যার মুখমণ্ডলের আকৃতি তুলনা করা হবে তার ছবি ক্যামেরার মাধ্যমে ধারণ করে তুলনা করা হয়। এ পদ্ধতিতে দুই চোখের মধ্যবর্তী দূরত্ব, নাকের দৈর্ঘ্য এবং ব্যাস, চোয়ালের কৌণিক পরিমাণ ইত্যাদি পরিমাপ করে তুলনা কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। সাধারণত আলোর তীব্রতার উপর শনাক্তকরণ সূক্ষ্মতা নির্ভর করে।


২. আঙুলের ছাপ: এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ব্যক্তির আঙুলের ছাপ পূর্ব হতেই
আঙুলের ছাপ পড়তে পারে এমন মেশিনের (ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডার) সাহায্যে ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে রাখতে হয়। পরবর্তীতে যখন একই ব্যক্তি ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডারে আঙুল রাখে তখন যে আঙুলের ছাপের ছবি তৈরি হয় তা পূর্বে ডেটাবেজে রক্ষিত ছবির সাথে মিলিয়ে শনাক্তকরণের কাজ সম্পন্ন করা হয়। এ ক্ষেত্রে মেশিনটি আঙুলের রেখার বিন্যাস, ত্বকের 'টিস্যু এবং ত্বকের নিচের রক্ত সঞ্চালনের উপর ভিত্তি করে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক পদ্ধতিতে আঙুলের ছাপচিত্র তৈরি করে।


৩. সিগনেচার: এ ক্ষেত্রে স্বাক্ষরের আকার, ধরন, লেখার গতি, সময়, লেখার মাধ্যমে (যেমন- কলম, পেন্সিল) চাপকে যাচাই করে শনাক্তকরণের কাজ সম্পন্ন করা হয়।

7 views

Related Questions