1 Answers
অনুচ্ছেদে বর্ণিত রীনার মা গীতার কথামতো 'টেবিলে বিষয় অনুসারে বই সাজানো'র বিষয়টি কৃত্রিম শ্রেণিকরণকে নির্দেশ করে। নিচে কৃত্রিম শ্রেণিকরণের ব্যাখ্যা দেওয়া হলো-
যে শ্রেণিকরণ প্রক্রিয়ায় কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের নিমিত্তে গুরুত্বহীন, অপ্রয়োজনীয়, অনাবশ্যক ও বাহ্যিক সাদৃশ্যের ভিত্তিতে বস্তু বা ঘটনাসমূহের যে বিন্যাস করা হয়, তাকে কৃত্রিম শ্রেণিকরণ বলে। কৃত্রিম শ্রেণিকরণ মানুষের মনগড়া। এ ধরনের শ্রেণিকরণে মৌলিক সাদৃশ্যের বিষয়গুলো উপেক্ষা করা হয়। কোনো একটি বিশেষ ব্যবহারিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য কৃত্রিম শ্রেণিকরণ করা হয়। বিশেষ বা প্রায়োগিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য সৃষ্টি হয়েছে কৃত্রিম শ্রেণিকরণ। কৃত্রিম, শ্রেণিকরণ আমাদের ইচ্ছা বা সুবিধার উপর নির্ভর করে। যেমন : লাইব্রেরির কোনো বইয়ের আকৃতি, রং, মূল্য ইত্যাদি সাদৃশ্যের ভিত্তিতে যখন শ্রেণিকরণ বা শ্রেণিবিন্যাস করা হয়, তখন তা হয় কৃত্রিম শ্রেণিকরণ।
উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, রীনার মা গীতার কথায় কৃত্রিম শ্রেণিকরণ বিষয়টিকে নির্দেশ করা হয়েছে। তার কথামতো টেবিলে বিষয় অনুসারে বই সাজিয়ে রাখায় কৃত্রিম শ্রেণিকরণের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে। তাছাড়া মনগড়া, গুরুত্বহীন, ইচ্ছামতো বাহ্যিক সাদৃশ্য বা বৈসাদৃশ্যের ভিত্তিতে কৃত্রিম শ্রেণিকরণ করা হয়।