1 Answers
উদ্দীপকে বর্ণিত মি. শাহেদের 'ভূত-পেত্নী নিয়ে গেছে'- এ বক্তব্যটি প্রকল্পের যে ধরনের অনুপপত্তিকে নির্দেশ করে তা হলো কাজ চালানো প্রকল্প। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- কোনো অপরিচিত নতুন ঘটনা ব্যাখ্যা করার জন্য এ সম্পর্কে যথার্থ ধারণা না থাকার ফলে আপাতত উদ্দেশ্য সাধনের লক্ষ্যে যখন অসম্পূর্ণ কোনো আনুমানিক ধারণাকে সাময়িকভাবে প্রকল্প হিসেবে গ্রহণ করা হয়, তখন সেই আনুমানিক ধারণাকে বলা হয় 'কাজ চালানো প্রকল্প'। বস্তুত অনেক সময় প্রকৃতিতে এমন সব জটিল ও নতুন ধরনের ঘটনা ঘটতে দেখা যায়, যেগুলো সম্পর্কে কোনোরূপ প্রকল্প গঠন করা আমাদের পক্ষে কঠিন এবং অসম্ভব হয়ে পড়ে। এরূপ অবস্থায় আপাতত কাজ এগিয়ে নিতে এগুলোর জন্য কোনো না কোনো প্রকল্প গঠন করতেই হয়। এরূপ অবস্থায় আপাতত কাজ চালানোর উদ্দেশ্যে অনুমানের উপর নির্ভর করে যে প্রকল্প গঠন করা হয়, তাকে কাজ চালানো প্রকল্প বলে। এ জাতীয় প্রকল্প হচ্ছে অসম্পূর্ণ এবং সাময়িকভাবে গঠিত আনুমানিক ধারণা। কিন্তু তারপরও এর উদ্দেশ্য থাকে সংশ্লিষ্ট ঘটনার স্বরূপ বিশ্লেষণ করা। প্রকৃতপক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে এর চেয়ে অধিক স্বয়ংসম্পূর্ণ কোনো প্রকল্প না পাওয়ার কারণেই মূলত ঘটনার ব্যাখ্যায় কাজ চালানো প্রকল্প প্রয়োগ করা হয়। তবে পরবর্তীকালে এ সম্পর্কিত কার্যকর কোনো প্রকল্প গঠন করা সম্ভব হলে কাজ চালানো প্রকল্প বাতিল করে দেওয়া হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায় মি. শাহেদ অফিস শেষে বাসায় ফিরে দেখলেন তার ল্যাপটপটি পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বাড়ির সবাইকে জিজ্ঞাসা করে কোনো ফল না পেয়ে মনে করলেন কোনো ভূত-পেত্নী এটি নিয়ে গেছে। পরবর্তীতে পরীক্ষা করে প্রকৃত চোরকে চিহ্নিত করা হলো। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়ের সাথে কাজ চালানো প্রকল্পের সাদৃশ্য রয়েছে।