উদ্দীপকে সোনিয়ার বক্তব্য কোন ধরনের আবর্তনকে নির্দেশ করে? এছাড়া আর কোনো ধরনের আবর্তন আছে কী? (প্রয়োগ)
1 Answers
চার ধরনের যুক্তি বাক্যকে আমরা দুই ধরণের আবর্তনের আগে ভাগ করতে পারি। চার প্রকার যুক্তিবাক্য হলো A, E, I, O যুক্তিবাক্য। আবর্তন দুভাবে হয়ে থাকে। ১. সরল আবর্তন ও ২. অসরল আবর্তন। যে আবর্তনে আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের পরিমাণ একই হবে অর্থাৎ ব্যস্ত্যর্থ একই থাকে তা সরল আবর্তন আর যে আবর্তনে আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের পরিমাণ ভিন্ন হয় অর্থাৎ ব্যস্ত্যর্থ ভিন্ন হয় তা অসরল আবর্তন। উদ্দীপকে সোনিয়া যে ধরনের আবর্তনের কথা বলছে তা হলো 'অসরল আবর্তন'। কারণ-
সকল কবি হয় মানুষ।
কিছু মানুষ হয় কবি।
এই দৃষ্টান্তে অসরল আবর্তন হয়েছে। আবার যুক্তিবাক্যের দিক থেকে এটি A-যুক্তিবাক্যের আবর্তনের মধ্যে পড়ে। A-যুক্তিবাক্যকে আবর্তন করলে 1-যুক্তিবাক্য পাওয়া যায়। সুতরাং সোনিয়ার বক্তব্যে যে আবর্তনের কথা বলা হয়েছে তাহলো- A-যুক্তিবাক্যের আবর্তন। আমরা জানি যে, আবর্তনের সময় সদর্থক যুক্তিবাক্যের আধর্তন সদর্থক হবে এবং নঞর্থক যুক্তিবাক্যের আবর্তন নঞর্থক হবে। A-যুক্তিবাক্যকে আবর্তন করলে A ও। যুক্তিবাক্য হবে। কিন্তু A যুক্তিবাক্যে আবর্তন করলে 'আশ্রয়বাক্যের অব্যাপ্ত পদ সিদ্ধান্তে এসে ব্যাপ্য হতে পারে না' এই নিয়ম লংঘন হয়।