1 Answers
উদ্দীপকে আব্দুল মালেক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ব্যাখ্যা প্রদান করার চেষ্টা করেন। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা হচ্ছে- কোন ঘটনা প্রকৃতির কোন নিয়মে ঘটছে বা কোন ঘটনার পেছনে কোন কারণটি আছে, তা নির্ণয় করা। কিংবা আলোচ্য ঘটনাকে অন্য ঘটনার সাথে সাদৃশ্যের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা করা বা ঘটনাটি কম ব্যাপক কোনো নিয়ম হলে তাকে সার্বিক বা অধিক ব্যাপক কোনো নিয়মের আওতায় এনে ব্যাখ্যা কিংবা বিশ্লেষণ করে তার প্রকৃত কারণটি খুঁজে বের করা।
অর্থাৎ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কোনো ঘটনার ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে লৌকিক ব্যাখ্যার চেয়ে উত্তম। প্রাকৃতিক জগতে কোনো একটি ঘটনা বুঝতে গেলে ঘটনার কারণ কী, তা আমাদের নির্ধারণ করতে হয়। ব্যাখ্যা দেওয়ার অর্থ হলো ঘটনাগুলোর কার্যকারণ নির্দেশ করা। যেখানে নিয়মটি অজ্ঞাত থাকে, সেখানে নিয়ম সম্পর্কে প্রকল্প প্রণয়ন করে উক্ত নিয়মকে বুঝতে হয়। প্রকল্প প্রণয়ন ব্যাখ্যাদানেরই একটা প্রচেষ্টা। কোনো বস্তুর ব্যাখ্যাদান মানেই অন্যান্য জ্ঞাত বস্তুর সঙ্গে যোগাযোগ সাধন করা। সুতরাং ব্যাখ্যা হচ্ছে উপাদান বা বৈশিষ্ট্যসমূহের পারস্পরিক সম্পর্ক বুঝিয়ে দেওয়া। কোনো প্রাকৃতিক বা সামাজিক বিষয় বা ঘটনা আমাদের কাছে সাধারণত সহজ-সরল অবস্থায় উপস্থাপিত হয় না। অর্থাৎ প্রাকৃতিক ঘটনায় প্রায়ই দেখা যায়, বিভিন্ন উপাদান বা ঘটনার বিভিন্ন অংশ যুগপৎভাবে সংঘটিত হয় বলে ঘটনাটি আমাদের কাছে জটিল আকার ধারণ করে। এসব ক্ষেত্রে ব্যাখ্যার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করা হয়। তখন আমরা বাইরের অন্য কোনো ঘটনা, নিয়ম বা বিষয়কে টেনে এনে সম্বন্ধের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা দিতে চেষ্টা করি।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকে আব্দুল মালেকের ব্যাখ্যাকরণের ঘটনা যৌক্তিক।