1 Answers
শিশুকে সুস্থ রাখা তাকে জন্মদানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পারিপার্শ্বিক ও অনুকূল পরিবেশ সম্পর্কে শিশুরা ছোট থাকতেই বেশ অনুভূতিশীল হয়। এর ব্যতিক্রম হলে তাদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তাই উপযুক্ত পরিচর্যার গুরুত্ব রয়েছে।
উদ্দীপকে নিলুর সন্তানের সুস্থতা পরিমাপ করা হলেও তার পরিচর্যার অন্যান্য বিষয়গুলোর প্রতিও ডাক্তার সচেতন হতে বলে। কিন্তু নিলু শিশুটির ঠান্ডা যেন না লাগে তাই তাকে বাইরে বের করেন না ও নিয়মিত গোসল করান না। নবজাতকের সঠিক যত্নের মধ্যে শিশুর গোসল ও মুক্ত আলো বাতাসের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। এ সময় হালকা গরম পানিতে গোসল করাতে হবে। পানির তাপমাত্রা আরামদায়ক হওয়া জরুরি। এতে শিশুর ত্বক পরিষ্কার থাকে। এছাড়া • শিশুকে প্রতিদিন কিছুক্ষণের জন্য মুক্ত আলো-বাতাস ও সূর্যের আলোতে রাখা ভালো। এতে শিশুর দেহে ভিটামিন 'ডি' পায়। তাকে অতিরিক্ত রোদে নেওয়াও ঠিক নয়। আলো-বাতাসের সংস্পর্শে থাকলে শিশুর শরীর ভালো থাকে। তাছাড়া শিশুর পরিপূর্ণ ঘুম, শিশুর পোশাক পরিচ্ছদ, শিশুর মলমূত্র ত্যাগ, খাদ্য সব বিষয়ে অধিক যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। নিলুকে সন্তানের গোসল, বাইরে বের করা সহ অন্যান্য সকল বিষয়ে আরো যত্নশীল হতে হবে। তাহলেই তার সন্তানটি সঠিক যত্ন পাবে।
নবজাতককালের সঠিক যত্নের উপর তার পরবর্তী জীবনের বিকাশ বহুলাংশে নির্ভরশীল। এজন্যই নবজাতকের জন্য যত্নের কোন বিকল্প নেই।