1 Answers

নবজাতককাল বিকাশ পর্যায়ের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত সময়।

মাতৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ট হবার পর নবজাতককে নতুন পরিবেশের সাথে অভিযোজন করতে হয়। লাবণীর বোনের শিশুটি নবজাতক বিধায় তার মধ্যে সে কয়েকটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য লক্ষ করলো। সেগুলো হলো-

১ . দৈহিক আকার: শিশুটির মাথা তার দেহ হতে বড় অর্থাৎ দেহের ১/৪ অংশ হলো মাথা। নাক চ্যাপ্টা এবং থুতনি প্রায় নেই। শিশুটির চোয়াল ফোলা এবং মুখের অর্ধেক হলো কপাল, মাথার উপরিভাগের মধ্যখানে নরম স্থান রয়েছে।

২ . দৈহিক কাজ: দৈহিক কার্যকলাপের মধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাস, পরিপাক- পরিশোষণ ও রক্ত চলাচল অন্যতম। শিশুটি ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর অক্সিজেনের অভাবে তার দেহ সাদাটে ও ছাই বর্ণের ছিল। নাভিরজ্জু কাটার পর শিশুটি সর্বপ্রথম অক্সিজেন টেনে নেয় এবং কাঁদার সাথে সাথে তার চোখ, মুখ লালচে বর্ণ হয়। প্রথম ২৪ ঘণ্টায় শিশুর শ্বসনের গতি ওঠা-নামা করে এবং প্রায়ই ঘন ঘন নিঃশ্বাস টানতে থাকে। শিশুটি ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময় তার দেহে তাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা অপরিণত ছিল। এজন্য তাকে গরম রাখতে হয়। শিশুটির পরিপাকতন্ত্র অপরিণত থাকায় তার হজমশক্তি কম থাকে, জন্মের পরপরই তাকে মায়ের প্রথম শালদুধ খাওয়াতে হয়।

এছাড়া শিশুটি ১৬ থেকে ২০ ঘণ্টা ঘুমায়। জন্মের পর তার প্রথম স্বর ছিল কান্না। শিশুটি ঘর্ন গাঢ় বাদামি রঙের মলত্যাগ করে। ভেজা অবস্থায় থাকলে কেঁদে ওঠে।

উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যগুলোই লাবণী তার বোনের ছেলের মধ্যে দেখতে পেল।

5 views

Related Questions