1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টিতে ব্যতিরেকী পদ্ধতির অন্তর্গত কাকতালীয় অনুপপত্তি ঘটেছে। নিচে এই অনুপপত্তি আলোচনা করা হলো-

ব্যতিরেকী পদ্ধতির অসতর্ক প্রয়োগে যেসব যুক্তিদোষের উদ্ভব ঘটে। তাকেই ব্যতিরেকী পদ্ধতির যুক্তিদোষ বা অনুপপত্তি বলে। ব্যতিরেকী পদ্ধতির অসতর্ক প্রয়োগে যেসকল অনুপপত্তি ঘটে তার মধ্যে কাকতালীয় অনুপপত্তি অন্যতম। ব্যতিরেকী পদ্ধতি যখন পরীক্ষণের পরিবর্তে নিরীক্ষণের উপর প্রতিষ্ঠিত হয় তখন কাকতালীয় অনুপপত্তি ঘটে। যেমন : আকাশে ধূমকেতু উদয়ের পরপরই দেশের রাজা মারা গেলেন। সুতরাং ধূমকেতুর উদয় রাজার মৃত্যুর কারণ। এ যুক্তিটি নিরীক্ষণের মাধ্যমে প্রণীত হয়েছে। এতে একটি সদর্থক ও একটি নঞর্থক দৃষ্টান্তের উল্লেখ আছে। যুক্তিটি অনুসারে আকাশে যখন ধূমকেতু অনুপস্থিত ছিল, তখন রাজার মৃত্যুও অনুপস্থিত ছিল। তারপর যখন আকাশে একটি ধূমকেতু উপস্থিত হলো, তখন রাজার মৃত্যুও উপস্থিত হলো। এ থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে যে ধূমকেতুর উদয়ই রাজার মৃত্যুর কারণ। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ধূমকেতু উদয়ের সাথে রাজার মৃত্যুর কোনো কার্যকারণ সম্পর্ক নেই। সুতরাং যুক্তিটিতে কাকতালীয় অনুপপত্তি 'ঘটেছে।

উপরের আলোচনায় আমরা দেখতে পাই ব্যতিরেকী পদ্ধতি নিরীক্ষণের উপর প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় যুক্তিটিতে কাকতালীয় অনুপপত্তি ঘটেছে। তাই ব্যতিরেকী পদ্ধতিতে সঠিক পরীক্ষণের। মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এই ভ্রান্তি বা অনুপপত্তি এড়িয়ে চলা সম্ভব।

4 views

Related Questions