1 Answers
গর্ভধারণের মুহূর্তেই একটি ভ্রূণ মেয়ে হবে না ছেলে হবে তা নির্ধারিত হয়ে যায়।
গর্ভধারণের পর শিশুর লিঙ্গ পরীক্ষা করানোর জন্য ফারজানাকে তার স্বামী একটি ডায়াগোনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যায়। এ ধরনের পরীক্ষার ফলে গর্ভবতী মায়ের শরীর তেজস্ক্রিয়তার দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে।
ফারজানা গর্ভবতী হওয়ায় এ অবস্থায় যে কোনো ধরনের বিকিরণ তার ও তার গর্ভের সন্তানের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। লিঙ্গ নির্ধারণ পরীক্ষায় এ ধরনের বিকিরণে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
শারীরিক কোনো অসুস্থতার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এই ধরনের পরীক্ষার সাহায্য নেয়া যায়, অন্যথায় নয়। এই ধরনের পরীক্ষার প্রভাবে সন্তানের চোখে ছানি পড়তে পারে, এছাড়া শিশুর মাইক্রোসেফালিও হতে পারে। অনেক সময় গর্ভপাতও হয়। তাই বলা যায়, শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ পরীক্ষাটি ফারজানার শরীরের জন্য যৌক্তিক নয় বরং ক্ষতিকর।