1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত দৃশ্যকল্প-১ 'সংকট উত্তরক পরীক্ষণ' বা 'চরম পরীক্ষণ' ধারণার প্রতিফলন ঘটেছে। নিচে এই ধারণার ব্যাখ্যা করা হলো-

পরীক্ষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত বিশেষ দৃষ্টান্তকে বলা হয় 'সংকট উত্তরক পরীক্ষণ' বা 'চরম পরীক্ষণ'। যেমন: গবেষণাগারে রাখা কযেকটি বোতলের মধ্যে কোনটিতে হাইড্রোজেন আছে তা জানার জন্য একজন গবেষক বোতলগুলোকে প্রকল্প হিসেবে গ্রহণ করলেন। এরপর তিনি একটি জ্বলন্ত ম্যাচের কাঠি বোতলগুলোর মুখে ধরায় এর মধ্যে একটি বোতলে আগুনে ধরে গেল। ফলে গবেষক বিশ্চিত হলেন যেন এ বোতলটিতেই হাইড্রোজেন আছে। কারণ এ বিষয়টি প্রমাণিত যে, হাইড্রোজেন নিজে জ্বলে। সুতরাং এ থেকে সিদ্ধান্ত করা যায় যে সংশ্লিষ্ট বোতলটিতে হাইড্রোজেনই ছিল। এ ক্ষেত্রে 'জ্বলন্ত ম্যাচের কাঠি' হচ্ছে চরম দৃষ্টান্ত এবং এর দ্বারা প্রকল্পটিকে প্রমাণের পদ্ধতিই হচ্ছে, সংকট উত্তরক পরীক্ষণ বা চরম পরীক্ষণ যা গৃহীত প্রকল্পটিকে অনন্য সাধারণ বা একমাত্র প্রকল্প হিসেবে প্রমাণ করে।

বস্তুত একটি প্রকল্পকে প্রমাণিত হওয়ার জন্য একে অনন্য প্রকৃতির হতে হয়। এমতাবস্থায় যে প্রকল্পটি তার সমকক্ষ অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রকল্পকে অপ্রমাণ করে নিজেকে একমাত্র ব্যাখ্যাকারীরূপে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম, সেই প্রকল্পটিই প্রমাণিত হয়ে নিয়ম বা মতবাদের পর্যায়ে উন্নীত হতে পারে। তবে নিজেকে অনন্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে প্রকল্পটিকে বিশেষ কোন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হয়। এরূপ নির্ধারক দৃষ্টান্ত যখন পরীক্ষণের মাধ্যমে সংগৃহীত হয় তখন তাকে বলে 'সংকট উত্তরক পরীক্ষণ' বা 'চরম পরীক্ষণ'।

5 views

Related Questions