1 Answers

উদ্দীপকে সৌম্ভিকদের এলাকার সংস্থার কাজটির সাথে প্রকল্প গঠনের সর্বশেষ স্তর পরীক্ষামূলক সমর্থনের চিত্র ফুটে উঠেছে। নিচে এই স্তরটি ব্যাখ্যা করা হলো- প্রকল্প গঠনের মধ্য দিয়ে সরাসরি কোনো বিষয়কে মতবাদ বা নিয়ম পর্যায়ে নেওয়া সম্ভব না বিধায় প্রকল্পকে চারটি সতর অতিক্রম করতে হয়; আর এ স্তরগুলোর সর্বশেষ রূপ হচ্ছে পরীক্ষামূলক সমর্থন।

সাধারণত পরীক্ষামূলক সমর্থনের মাধ্যমে নিরীক্ষিত তথ্যাবলির ভিত্তিতে গৃহীত আনুমানিক ধারণা থেকে অনুসৃত সিদ্ধান্তকে পরীক্ষা বা যাচাই করা হয়; এ ক্ষেত্রে মূলত সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত প্রকল্পটি বাস্তব অবস্থার সাথে সংগতিপূর্ণ কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হয়। প্রকল্পটি যদি বাস্তব অবস্থার সাথে সংগতিপূর্ণ হয়, তাহলে তা নিয়ম বা তত্ত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়, আর সংগতিপূর্ণ না হলে তাকে বাদ দিয়ে পুনরায় নতুন প্রকল্প গঠন করতে হয়। উদাহরণস্বরূপ, এক ব্যক্তি টেবিলে রাখা তার ঘড়িটি সেখানে না দেখতে পেয়ে বাড়ির সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজলেন এবং বাড়িতে অবস্থানরত সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেন; কিন্তু কোনোভাবেই ঘড়িটির সন্ধান পাওয়া গেল না। এ অবস্থায় তিনি অনুমান করলেন, সম্ভবত বাড়ির কাজের ছেলে ঘড়িটি চুরি করেছে; এরপর তিনি তার এই অনুমানের সত্যতা প্রমাণের জন্য ছেলেটির ঘরে খোঁজ করে দেখলেন তার বাক্সে রাখা কাপড়-চোপড়ের নিচে ঘড়িটি রয়েছে এবং ছেলেটিও ঘড়ি চুরির কথা স্বীকার করল। এভাবেই ওই ব্যক্তির সিদ্ধান্ত হিসেবে অনুমানটি সত্যরূপে প্রমাণিত হলো। আর অনুরূপভাবে, উদ্দীপকে সৌমিকদের এলাকায় মেয়েদের বাল্যবিবাহের আধিক্যের কারণটি নির্ণয়ে গবেষণা সংস্থাটি এবং এতে তাদের অনুমানের সত্যতা প্রমাণিত হয়।

সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত সংস্থাটির কর্মের সাথে পরীক্ষামূলক সমর্থনের প্রয়োগ ঘটেছে।

5 views

Related Questions