1 Answers
উদ্দীপকে মিলনের কাজটিকে আত্মকর্মসংস্থান বলা যায়।
নিজস্ব জ্ঞান, দক্ষতা ও বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে ন্যূনতম ঝুঁকি নিয়ে নিজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করাকে আত্মকর্মসংস্থান বলে।
কোনো ব্যক্তি যখন কোনো প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট কোনো চাকরি না করে স্বীয় যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী সেবা দিয়ে বা কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে, তখন তাকে আত্মকর্মসংস্থান বলে। মিলন একজন স্বল্পশিক্ষিত বেকার যুবক। তিনি যশোরের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে একটি মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টার চালু করেন। স্বল্প মূলধন নিয়ে তিনি দোকান স্থাপনের মাধ্যমে নিজেই নিজের কর্মসংস্থান করেছেন। মোবাইল সার্ভিসিং-এর ওপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ মিলনকে আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হতে সাহায্য করেছে। তিনি সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টা, আগ্রহ ও গুণাবলির মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েছেন। সুতরাং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনে পারদর্শী হয়ে মিলন আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন।
সুতরাং উদ্দীপকে মিলনের কাজটিকে আত্মকর্মসংস্থান বলা যায়।