1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত শাজমিনের ভাইয়ের 'পর্বত' সম্পর্কে বলা প্রথম বক্তব্যটিকে সংজ্ঞা বলা হয়। নিচে সংজ্ঞা সম্পর্কে ব্যাখ্যা করা হলো-

সংজ্ঞার প্রকৃতি ব্যাখ্যা থেকে অনুসৃত হয়, সংজ্ঞা হলো কোনো পদের সম্পূর্ণ জাত্যর্থের সুস্পষ্ট বিবৃতি। আর জাত্যর্থ গঠিত হয় সংশ্লিষ্ট পদের আসন্নতম জাতি ও বিভেদক লক্ষ দ্বারা। বিভেদক লক্ষণ হচ্ছে পদের আবশ্যিক ও অনিবার্য গুণাবলি। সে ক্ষেত্রে একটি পদের সংজ্ঞার মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট পদের আবশ্যিক ও অনিবার্য গুণাবলির প্রকাশ ঘটে। কিন্তু একটি পদ কেবল আবশ্যিক ও অনিবার্য গুণাবলির সমষ্টি নয়। এ ছাড়া পদটিতে অন্যান্য গুণও বিদ্যমান থাকে, যেগুলোকে বলা হয় উপলক্ষণ ও অবান্তর লক্ষণ। উপলক্ষণ হচ্ছে এমন গুণ, যা জাত্যর্থ নয়, তবে জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয়। আর অবান্তর লক্ষণ হচ্ছে এমন গুণ, যা জাত্যর্থ নয় বা জাত্যর্থ থেকে নিঃসৃতও নয়, তবে যেকোনো পদের মধ্যে সাধারণভাবে বিদ্যমান থাকতে পারে। আর কোনো পদের এসব গুণ বা বৈশিষ্ট্যের বিবৃতিকেই বলে বর্ণনা। এককথায় জাত্যর্থ বহির্ভূত অন্য সব গুণের প্রকাশ হচ্ছে বর্ণনা। যেমন : "মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন জীব।”- এটি হচ্ছে মানুষের সংজ্ঞা।

উপর্যুক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয়, শাজমিনের ভাইয়ের 'পর্বত' সম্পর্কে বলা প্রথম বক্তব্যটি সংজ্ঞা।

5 views

Related Questions