1 Answers
যেকোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের প্রেষণার ক্ষেত্রে প্রেষণা দানের আর্থিক ও অনার্থিক উপায় বা পদ্ধতি রয়েছে।
কর্মীদের প্রণোদিত করার জন্য অর্থের বাইরে যেসব উদ্দীপক ব্যবহৃত হয় তাকে এক কথায় অনার্থিক প্রেষণা বলে। অনার্থিক প্রেষণার মধ্যে রয়েছে সুষ্ঠু কার্যপরিবেশ, নিরাপত্তা, আকর্ষণীয় কাজ, উত্তম ব্যবহার, ভালো কাজের প্রশংসা, প্রশিক্ষণ সুবিধা, সুবিচার প্রতিষ্ঠা, সংঘ-সমিতি করার সুযোগ, প্রতিষ্ঠানের সুনাম এবং অন্যান্য প্রণোদনামূলক ব্যবস্থা।
উদ্দীপকে 'ফান টয়' নামক একটি খেলনা তৈরির কারখানায় ১৭৫ জন শ্রমিক কাজ করে। পর্যাপ্ত পাখার অভাবে শ্রমিকরা ঘর্মাক্ত শরীরে কাজ করে। পুরো কারখানায় মাত্র ১০টি পাখা ও ৩টি বাথরুম আছে।
অতিরিক্ত গরমের কারণে প্রায়ই শ্রমিকেরা অসুস্থ হয়ে যায়। গত মাসে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ 'ফান টয়' কারখানার কাছে নতুন আর একটি খেলনা তৈরির কারখানা গড়ে ওঠে। নতুন কারখানা কর্তৃপক্ষ আবাসিক সুবিধার পাশাপাশি মুনাফার অংশ ১০% শ্রমিকদের দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তাই ৫০ জন শ্রমিক 'ফান টয়' এর চাকরি ত্যাগ করে ২য় প্রতিষ্ঠানে যোগ দেয়।
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে দেখা যায়, 'ফান টয়' কারখানায় আর্থিক ও অনার্থিক উভয় ধরনের প্রেষণার বিভিন্ন ধরনের উপাদানের অভাব রয়েছে। যা শ্রমিকদের চাকরি ত্যাগের ক্ষেত্রে প্রভাবিত করেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে শ্রমিকদের চাকরি ত্যাগের পেছনে আর্থিক ও অনার্থিক উভয় প্রেষণার প্রভাব সমভাবে দায়ী।