1 Answers

উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের মানসিক প্রশান্তি ও সর্বাত্মক লক্ষ্য অর্জনে গণতান্ত্রিক নেতৃত্বকে আমি সুপারিশ করি। গার্মেন্টস এর লোকসান হ্রাসে প্রতিষ্ঠানে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব গ্রহণ করা যেতে পারে। যে নেতৃত্ব অধস্তনদের সাথে আলোচনা ও পরামর্শ করে কার্য পরিচালনা করে তাকে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব বলে। গণতান্ত্রিক নেতা কর্মীদের আদেশ দেন, আদেশ বুঝিয়ে দেন, প্রশ্ন করার সুযোগ দেন এবং প্রশ্নের উত্তর দেন। এ নেতৃত্ব অধস্তনদের সাথে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। নেতা কর্মীদের নিকট হতে তথ্য সংগ্রহ করেন। গণতান্ত্রিক নেতা নিজে জবাবদিহি করেন এবং অধীনস্থদের জবাবদিহিতায়ও বিশ্বাস করেন। এরূপ নেতৃত্বে কর্মীদের জোর করে কোনো কাজ করিয়ে নেওয়া হয় না। কর্মীরা উৎসাহ নিয়ে কাজ করে। নিজের সিদ্ধান্ত মনে করে বাস্তবায়নে সব কর্মী মনোযোগী হন। এছাড়া গণতান্ত্রিক নেতৃত্বে কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি পায় এবং উৎপাদন মানসম্মত ও অধিক হয়। উদ্দীপকে দেখা যায় তিস্তা দুগ্ধখামারে কর্মীদের সর্বদা জোর করে কাজ করিয়ে নেওয়া হয়। কর্মীরা চাকরি হারানোর ভয়ে কাজ করলেও এ অবস্থার অবসান চান। কেননা কর্মক্ষেত্রে কর্মীদের মানসিক প্রশান্তি না থাকলে প্রতিষ্ঠানের সর্বাত্মক লক্ষ্য অর্জন ব্যাহত হতে পারে। আর কর্মীদের মানসিক প্রশান্তি বজায় রেখে সর্বাত্মক লক্ষ্য অর্জনের জন্য কর্মীদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিকল্প নেই। এমতাবস্থায় প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব প্রক্রিয়া পরিবর্তন করা প্রয়োজন। পরিবর্তিত নেতৃত্ব প্রক্রিয়া হিসেবে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব গ্রহণ করাই যথোপযুক্ত। উক্ত নেতৃত্ব গ্রহণে প্রতিষ্ঠানের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে এবং গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব বেছে নিলে উৎপাদন মাত্রা বৃদ্ধি করার সাথে সাথে মুনাফাও বৃদ্ধি করা সম্ভব। তাই উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের মানসিক প্রশান্তি ও সর্বাত্মক লক্ষ্য অর্জনে গণতান্ত্রিক নেতৃত্বকে আমি সুপারিশ করি।

5 views

Related Questions