1 Answers
ব্যবস্থাপক মাসুদকে যেভাবে প্রেষণার আশ্বাস দিয়েছেন তা যথার্থ।
ব্যবস্থাপক চাহিদা সোপান তত্ত্ব অনুযায়ী মাসুদের বিভিন্ন স্তরের অভাব পূরণের মাধ্যমে প্রেষণা দেন। চাহিদা সোপান তত্ত্বে বিখ্যাত মনোবিজ্ঞানী আব্রাহাম মাসলো মানুষের বিভিন্ন অভাবকে পাঁচটি স্তরে বিভক্ত করেছেন। সেগুলো যথাক্রমে জৈবিক চাহিদা, নিরাপত্তার চাহিদা, সামাজিক চাহিদা, আত্মতৃপ্তির চাহিদা ও আত্মপ্রতিষ্ঠার চাহিদা। মানুষের জীবনে উক্ত চাহিদাগুলো পর্যায়ক্রমে অভাব আকারে দেখা দেয়। ঠিক তেমনি উদ্দীপকের মাসুদ পর্যায়ক্রমে জৈবিক চাহিদা ও নিরাপত্তার চাহিদা অনুভত্ব করে। ব্যবস্থাপক জৈবিক চাহিদা পূরণ করলেও নিরাপত্তার চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে আশ্বাস দেন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মাসুদ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অস্থায়ী ভিত্তিতে অফিস সহকারী হিসেবে চাকরি করছেন। তিনি প্রতিমাসে বেতন ও আনুষঙ্গিক ভাতা বাবদ প্রায় সাত হাজার টাকা পান। কিন্তু চাকরির নিরাপত্তার প্রয়োজন উপলব্ধি করলে ব্যবস্থাপক তাকে ৬ মাসে দক্ষতার সাথে চাকরি করার শর্ত জুড়ে দেন। তবে এ শর্তেও মাসুদ আশান্বিত হন এবং সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে থাকেন। মানুষের মৌলিক চাহিদা যেমন- অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ইত্যাদি পূরণের চাহিদা হলো জৈবিক চাহিদা। এ চাহিদা মাসুদকে প্রাপ্ত বেতন ও আনুষঙ্গিক ভাতা দিয়ে পূরণ করেন। চাকরির নিরাপত্তার চাহিদার ক্ষেত্রে ৬ মাস দক্ষতার সাথে কাজ করার পর পূরণ করা হবে বলে আশ্বাস দেন।
সুতরাং উদ্দীপকে ব্যবস্থাপক মাসুদকে জৈবিক চাহিদার পাশাপাশি ৬ মাস পড়ে চাকরির নিরাপত্তা যে আশ্বাস দিয়েছেন তা যথার্থ।