1 Answers

উদ্দীপকে তারেকের সর্বশেষ বক্তব্যের মাঝে বৈজ্ঞানিক এবং অবৈজ্ঞানিক আরোহের বৈসাদৃশ্য প্রতীয়মান হয়। প্রকৃত আরোহ অনুমানের অন্যতম দিক বৈজ্ঞানিক আরোহ এবং অবৈজ্ঞানিক আরোহ। কার্যকারণ নিয়ম ও প্রকৃতির নিয়ামানুবর্তিতা নীতির উপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে বৈজ্ঞানিক আরোহ। অন্যদিকে অবৈজ্ঞানিক আরোহে শুধু প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি প্রয়োগ করা হয়। কার্যকারণ নিয়মের ওপর নির্ভর করায় বৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত হয়। আর কেবল অবাধ অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করায় অবৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত সম্ভাব্য হয়। বৈজ্ঞানিক আরোহে বিশ্লেষণের মাধ্যমে আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করা হয়। কিন্তু অবৈজ্ঞানিক আরোহে কোনো রূপ বিশ্লেষণের প্রয়োজন হয় না। বৈজ্ঞানিক আরোহে অপনয়ন সূত্রের সাহায্যে অপ্রাসঙ্গিক বিষয় বর্জন করে প্রকৃত ঘটনা উল্লেখ করা হয়। অন্যদিকে অবৈজ্ঞানিক আরোহে অপনয়ন সূত্রের কোনো রূপ প্রয়োগ দেখা যায় না। বৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত স্থাপনে পর্যবেক্ষণ, বিশ্লেষণ, প্রকল্প প্রণয়ন, অপনয়ন, সার্বিকীকরণ ইত্যাদি স্তর অতিক্রম করা হয়। কিন্তু অবৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত স্থাপনের ক্ষেত্রে এরূপ কোনো স্তর অতিক্রমের প্রয়োজন হয় না। বৈজ্ঞানিক আরোহের দৃষ্টান্ত সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করা হয় বলে এর সিদ্ধান্ত নির্ভুল হয়। অন্যদিকে অবৈজ্ঞানিক আরোহে বিশেষ কোনো সতর্কতা না থাকায় এর একাধিক দৃষ্টান্ত সামান্য কারণেই ভুল হয়ে যায়।

5 views

Related Questions