1 Answers

সহানুমানে মধ্যপদের ভূমিকা বা মধ্যপদের কার্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মধ্যপদ প্রধানপদ ও অপ্রধান পদের মধ্যে একটি সম্পর্ক তৈরি করে। সহানুমানের যে পদ আশ্রয়বাক্যে থাকে, কিন্তু সিদ্ধান্তে থাকে না তাকে 'মধ্যপদ' বলে।

সহানুমানের প্রধান আশ্রয়বাক্যের প্রধান পদের সাথে মধ্যপদের সম্বন্ধ থাকে। আবার অপ্রধান আশ্রয়বাক্যের অপ্রধান পদের সাথে মধ্যপদের সম্বন্ধ থাকে। মধ্যপদ সিদ্ধান্তে অনুপস্থিত থেকে প্রধান ও অপ্রধান পদের মধ্যে সম্বন্ধ তৈরি করে। এই সম্বন্ধ তৈরি করার প্রেক্ষিতেই সহানুমানে সিদ্ধান্ত অনুমিত হয়। মধ্যপদ সেতু বন্ধনকারী বা যোগসূত্র হিসেবে কাজ করে। মধ্যপদ বর ও কনের ঘটক হিসেবে কাজ করে। ঘটক ছাড়া যেমন বর ও কনের সম্পর্ক স্থাপিত হয় না, তেমনি মধ্যপদ ছাড়া প্রধান পদ ও অপ্রধান পদের মধ্যে কোনো সম্পর্ক তৈরি হয় না। আর এই সম্পর্ক তৈরি না হলে সহানুমানের সিদ্ধান্তও অনুমিত হয় না। কাজেই দুটি পদ সম্পর্কে একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য আশ্রয়বাক্যের মধ্যে একটি সাধারণ পদ ব্যবহার করা অবশ্য প্রয়োজনীয়। এই সাধারণ পদই হলো মধ্যপদ। মধ্যপদের দায়িত্ব যুক্তির প্রধান এবং অপ্রধান পদের সংযোগসূত্রের কার্য সাধন করা। এজন্য উদ্দীপকের শেষোক্ত বক্তব্যে বলা হয়েছে- সহানুমানে বা যুক্তিগঠনের ক্ষেত্রে মধ্যপদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপদের সাহায্য ছাড়া কোনো প্রকারেই সহানুমানের সিদ্ধান্ত টানা যায় না।

 

 

7 views

Related Questions