1 Answers
উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তিটি হলো- নামায আল্লাহর নিকট বান্দার আনুগত্য প্রকাশের সর্বশ্রেষ্ঠ পদ্ধতি।
নামাযের মাধ্যমেই বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে বেশি নৈকট্য লাভ করতে পারে। নবি করিম (স.) যেমন মিরাজের মাধ্যমে আল্লাহর সর্বাধিক নৈকট্য লাভ করেছিলেন, তেমনি নামায নামাযি ব্যক্তিকে আল্লাহর অধিকতর নিকটবর্তী করে দেয়। এ প্রসঙ্গে নবি করিম (স.) ইরশাদ করেছেন, "নামায মুমিনদের জন্য মি'রাজস্বরূপ।” কেননা নামাযের মধ্যে মুমিন ব্যক্তি এ ধারণা পোষণ করে যে, তিনি আল্লাহর সামনে দণ্ডায়মান এবং আল্লাহকে দেখতে পাচ্ছেন। আর তিনি যদি আল্লাহকে দেখতে নাও পান এটি নিশ্চিত যে, আল্লাহ তাকে দেখছেন। বিশেষ করে বান্দা যখন তার মাথাকে আল্লাহর নিকট নত করে সিজদায় রত থাকে তখন সে আল্লাহর সর্বাধিক নৈকট্য লাভ করে। কেননা মানুষ একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করবে এবং তার মস্তককে একমাত্র আল্লাহর পদতলে নত করবে এটাই আল্লাহর মানুষ সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য। আর নামাযের মধ্যে বান্দা কুরআনের আয়াত তিলাওয়াত করার মাধ্যমে প্রকারান্তরে যেন আল্লাহর সাথেই কথোপকথন করে। কেননা কুরআন হলো আল্লাহর বাণী। অতএব উপরিউক্ত আলোচনা থেকে একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়, নামায আল্লাহর নিকট বান্দার আনুগত্য প্রকাশের সর্বশ্রেষ্ঠ পদ্ধতি।