1 Answers

সোহাগের বক্তব্যের মাধ্যমে অপনয়নের বিষয়টি প্রাধান্য পায়। আরোহ যুক্তিবিদ্যায় অপনয়নের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ও অপ্রয়োজনীয় উপাদান বাছাই করা হয়। যে মৌলিক বা আবশ্যিক অংশের সাথে কার্যকারণ সম্বন্ধ স্থাপন করা যায় সেই অংশকে শুধু রেখে অবশিষ্ট বা. বাকি অনাবশ্যক অংশসমূহকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে অপনয়ন (Elimination) বলে। অপনয়নের মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি যে, কোনো ঘটনা ঘটার জন্য পূর্ববর্তী প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো হচ্ছে অপরিবর্তনীয় ও অনিবার্য। কাজেই অপ্রাসঙ্গিক উপাদানকে পৃথক করে প্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ধরে রাখাকেই অপনয়ন বলে। আর কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ের জন্য অপনয়ন অপরিহার্য। যেমন-

সাকিব হয় মরণশীল।
 শাকিল হয় মরণশীল।
 সাব্বির হয় মরণশীল।
 বিড়াল হয় মরণশীল।
∴  সকল মানুষ হয় মরণশীল।

উপর্যুক্ত দৃষ্টান্তে, 'বিড়াল হয় মরণশীল' যুক্তিবাক্যটি সিদ্ধান্তের সাথে বৈসাদৃশ্য বলে অপনয়ন পদ্ধতিতে একে অপসারণ করা হলে সিদ্ধান্ত এবং যৌক্তিক আকার যথার্থ বলে প্রতীয়মান হবে।

5 views

Related Questions