1 Answers
উদ্দীপকের মাধ্যমে সোহাগের কাঙ্ক্ষিত বিষয় হিসাবে যুক্তিবিদ্যার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। যুক্তিই হলো যুক্তিবিদ্যার মূল আলোচ্য বিষয়। যুক্তির বৈধতা বা অবৈধতা যাচাই করাই হলো যুক্তিবিদ্যার মূল কাজ। এক্ষত্রে যুক্তির উপাদান হিসাবে অনুমান, অবধারণ ও যুক্তিবাক্য, আশ্রয়বাক্য, সিদ্ধান্ত এসবের প্রকৃতি ও পরস্পর সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুমানের ভাষাগত প্রকাশ হলো যুক্তি। অবরোহ ও আরোহ নামক দুই ধরনের অনুমান নিয়েই যুক্তিবিদ্যা আলোচনা করে। যুক্তিবাক্য নিয়ে যুক্তি গঠিত হয়। আর যুক্তিবাক্যের মূল উপাদান হলো পদ। তাই যুক্তিবিদ্যা পদ, উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদ, পদের ব্যাপ্টি বা বিস্তৃতি (ব্যক্ত্যর্থ), গুণগত দিক বা জাত্যর্থ নিয়ে আলোচনা করে। যুক্তিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন শব্দের অর্থ ও তাৎপর্য নির্ধারণের জন্য সংজ্ঞায়ন, বিভাজন, শ্রেণিকরণ, ব্যাখ্যা ইত্যাদি বিষয় নিয়েও যুক্তিবিদ্যা আলোচনা করে। যুক্তির বৈধতা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বৈধতার স্বরূপ, শর্তসমূহ, বৈধযুক্তির নিয়মাবলি, বৈধতার সাথে সত্যতার সম্পর্ক, সত্যতার নিয়ম যুক্তিবিদ্যা আলোচনা করে। অবরোহ যুক্তিবিদ্যায় আকারগত সত্যতা প্রতিষ্ঠা করা হলেও আরোহ যুক্তিবিদ্যায় আকারগত ও বস্তুগত উভয় প্রকার সত্যতাই প্রতিষ্ঠা করা হয়। সত্যতা লাভের ক্ষেত্রে সহায়ক অথবা তুলনীয় কিছু বিষয় যেমন কার্যকারণ নিয়ম, প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি, প্রকল্প, সম্ভাব্যতা ইত্যাদিও যুক্তিবিদ্যার আলোচ্য বিষয়।