1 Answers

উদ্দীপকে জনাব টিপুর দুই ধরনের কাজের মাধ্যমে অমাধ্যম অনুমান ও মাধ্যম অনুমানের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। অবরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত কোনো কোনো সময় একটি আশ্রয় বাক্য হতে অনুমিত হয়। আবার কোনো কোনো সময় একের অধিক আশ্রয়বাক্য থেকে অনুমিত হয়।যখন অবরোহ অনুমানের সিদ্ধান্তটি একটি আশ্রয়বাক্য থেকে অনুমিত হয় তখন সেটি হলো অমাধ্যম অনুমান। যেমন-

সকল মানুষ হয় মরণশীল।
কোনো মানুষ নয় অমর।

এখানে আশ্রয়বাক্য একটি। একটি আশ্রয়বাক্য থেকে সিদ্ধান্ত অনুমিত হয়েছে বলে এটি অমাধ্যম অনুমান। যেমনভাবে টিপু সাহেব কোনো মাধ্যম ছাড়া ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে তথ্য পাঠান। তেমনি অনুমানের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তটি মাধ্যম ছাড়া নিঃসৃত হলে সেটি অমাধ্যম অনুমান হয়। যখন অবরোহ অনুমানের সিদ্ধান্তটি একাধিক আশ্রয় বাক্য থেকে নিঃসৃত হয় তখন তাকে 'মাধ্যম অনুমান' বলে। যেমন-

সকল মানুষ হয় মরণশীল
কালাম হয় মরণশীল।

এখানে সিদ্ধান্তটি দুটি আশ্রয় বাক্য থেকে নিঃসৃত হয়েছে। আশ্রয়বাক্য দুটি ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। উভয় আশ্রয়বাক্যে মানুষ পদটি আছে বিধায় এরা সম্পর্কযুক্ত। একাধিক আশ্রয়বাক্য পরস্পর সম্পর্কের ভিত্তিতে একটি সিদ্ধান্ত অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় বলে এটি মাধ্যম অনুমান। ঠিক তেমনি টিপু সাহেব তার চাকুরির প্রথম দিকে বিভিন্ন তথ্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে অফিস প্রধান মাধ্যম হিসাবে কাজ করতো। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকে টিপু সাহেবের কাজের মাধ্যমে দুই ধরনের অনুমানের ইঙ্গিত পাওয়া যায়, মাধ্যম অনুমান ও অমাধ্যম অনুমান।

4 views

Related Questions