1 Answers

উদ্দীপকে A দলের শেষোক্ত আলোচনায় যে পদ্ধতিগুলোর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে তাহলো-নিরীক্ষণ ও পরীক্ষণ পদ্ধতি। এ দুটি পদ্ধতি অনুমানের যাচাই-বাছাই করণের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিরীক্ষণ হলো, যখন কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে প্রাকৃতিক অবস্থাসমূহকে সুনিয়ন্ত্রিতভাবে প্রত্যক্ষ করা হয় তখন তাকে বলে নিরীক্ষণ। পক্ষান্তরে, কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে পূর্বপরিকল্পিত অবস্থাবলির ভিত্তিতে যখন গবেষণাগারে যন্ত্রপাতির সাহায্যে কৃত্রিম সৃষ্ট ঘটনাসমূহকে নিরীক্ষণ করা হয় তখন তাকে বলে পরীক্ষণ। নিরীক্ষণ ও পরীক্ষণের মধ্যে কিছু পার্থক্য ও সাদৃশ্য থাকা সত্ত্বেও দুটি পদ্ধতিই অনুমানের বস্তুগত সত্যতা যাচাই-এর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। কিন্তু আরোহের বস্তুগত সত্যতা নির্ণয় করতে গিয়ে নিরীক্ষণ ও পরীক্ষণ সর্বক্ষেত্রে সমানভাবে কার্যকরী বা 'উপযোগী হয় না। হয়তো এক সময় দেখা যায়, নিরীক্ষণের এমন একটা সুবিধা রয়েছে যা পরীক্ষণে নেই, অর্থাৎ ওই বিশেষ অবস্থাটা পরীক্ষণ করা সম্ব না হলেও নিরীক্ষণ করা সম্ভব হয়। আবার এমন সব ক্ষেত্র আছে যেখানে নিরীক্ষণ যথার্থভাবে আরোহের বস্তুগত উপাদান সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলেও পরীক্ষণেই কাজটা সমাধান করতে পারে। কাজেই উভয় ক্ষেত্রে এদের নিজেদের নিজস্ব কিছু সুবিধাজনক বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়। আর এ অবস্থাটাকেই নিরীক্ষণের' ও পরীক্ষণের আপেক্ষিক বা পারস্পরিক সুবিধা বলে অভিহিত করা যায়।

4 views

Related Questions