1 Answers
উদ্দীপকের (i) নং এ আমের বৈজ্ঞানিক নাম দেওয়া আছে। এটির
নামকরণে দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। এই নামকরণ পদ্ধতিটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। উদ্ভিদের নাম ICBN কর্তৃক এবং প্রাণীর নাম ICZN কর্তৃক নিয়মানুসারে নির্ধারণ করা হয়। সকল, বিজ্ঞানী এই নামকরণ অনুসরণ করে থাকেন। প্রকৃতপক্ষে এই নামকরণ পুস্তকাকারে লিখিত একটি দলিল। এই নামকরণ অনুসারে প্রত্যেক জীবের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট এবং অনন্য নাম দেওয়া হয়। নামকরণ ল্যাটিন শব্দে হওয়ায় কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নাম সারা বিশ্বে একই নামে পরিচিত হয়। এর ফলে জীবজগতের প্রতিটি জীবকে আলাদা নামে সঠিকভাবে জানা যায়। যদি কয়েকজন বিজ্ঞানী একই জীবকে বিভিন্ন নামকরণ করেন, তবে অগ্রাধিকার আইন অনুসারে প্রথম বিজ্ঞানী কর্তৃক প্রদত্ত নামটি গৃহীত হয়। ফলে একজন বিজ্ঞানী তার পরিশ্রমের স্বার্থকতা ও বৈধতা পান। এছাড়া যিনি সর্বপ্রথম কোনো জীবের বিজ্ঞানসম্মত নাম দেন তার নাম প্রকাশের সালসহ উক্ত জীবের বৈজ্ঞানিক নামের শেষে সংযোজন করতে হয়। তাহলে, আমরা সহজেই ঐ বিজ্ঞানী সম্পর্কে জানতে পারি। অপরদিকে (ii) নং এর নামকরণটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়। আর (iii) নং এর নামকরণে শুধু গণ অংশটি আছে কিন্তু প্রজাতি অংশটি নেই। এছাড়াও গণের নামের শব্দটি
ভুল আছে এবং এটি ইটালিক হরফেও লেখা নেই আবার শব্দটির নিচে কোনো দাগও নেই যা দ্বিপদ নামকরণের নীতি বিরুদ্ধ। তাই জীববিজ্ঞানের শিক্ষার্থী হিসেবে আমি (i) নং এর পদ্ধতিটি অর্থাৎ দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতিটি গ্রহণ করবো।