1 Answers

উদ্দীপকের শ্যামল যুক্তিবিদ্যার বিধেয়ক বিষয়টি পড়তে পছন্দ করে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যায়। শ্রেণিবাচক বা জাতিবাচক বিধেয় পদ বিশিষ্ট কোনো সদর্থক যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যে যেসকল সম্পর্ক থাকতে পারে, সেই সম্পর্কসমূহকে বিধেয়ক বলে। শ্রেণিবাচক পদ বা জাতিবাচক পদ মূলত সাধারণ পদ। তাই অধ্যাপক ল্যাটা ও ম্যাকবেথ বিধেয়কের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন যে, "বিধেয়ক হচ্ছে সদর্থক যুক্তিবাক্যের এক শ্রেণির সাধারণ বিধেয় পদের সাথে উদ্দেশ্যের সম্ভাব্য সম্পর্কসমূহ।" অর্থাৎ বিধেয়ক হচ্ছে একটি সম্পর্ক এবং কেবল সদর্থক যুক্তিবাক্যে পাওয়া যায়। তাই দেখা যায়, বিধেয়ক কোনো পদ নয়। এটি এক প্রকার সম্পর্ক যা কেবল সদর্থক যুক্তিবাক্যে থাকে। আর এই সদর্থক যুক্তিবাক্যের বিধেয়ককে অবশ্যই জাতিবাচক বা শ্রেণিবাচক পদ হতে হয়। যুক্তিবিদ্যার ইতিহাস পর্যালোচনা করলে আমরা দেখতে পাই বিধেয়ক নিয়ে প্রথম আলোচনা করেন গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল। পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে এই চিন্তা বিকশিত হয়। তবে দার্শনিক পরফিরির চিন্তায় এসে বিধেয়ক সম্পর্কিত আলোচনা বেশ পরিপক্বতা লাভ করে। অ্যারিস্টটল যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের সম্পর্ককে অর্থাৎ বিধেয়কে চার ভাগে ভাগ করেছেন। এগুলো হলো- সংজ্ঞা, উপলক্ষণ, জাতি ও অবান্তর লক্ষণ। আর যুক্তিবিদ পরফিরি যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের সম্পর্ককে পাঁচ ভাগে ভাগ করেছেন, এগুলো হলো- জাতি, উপজাতি, বিভেদক লক্ষণ, উপলক্ষণ ও অবান্তর লক্ষণ। তবে অ্যারিস্টটল বিধেয়ক সম্পর্কিত আলোচনার ভিত্তি স্থাপন করলেও বিধেয়কের আলোচনা পরফিরির শ্রেণিবিভাগকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়।

5 views

Related Questions