1 Answers

যেসব সদর্থক যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ, শ্রেণিবাচক পদ সেসব যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদের সঙ্গে উদ্দেশ্য পদের যেসব সম্পর্ক থাকতে পারে সেসব সম্পর্ককে বিধেয়ক বলে। যেকোনো যুক্তিবাক্যে দুটি পদ থাকে। যথা- উদ্দেশ্য ও বিধেয়। শ্রেণিবাচক বিধেয় পদ সংবলিত কোনো সদর্থক যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদের সাথে উদ্দেশ্য পদের যেসব সম্পর্ক থাকা সম্ভব তা-ই বিধেয়ক। যেমন- কতক জীব হয় মানুষ। আলোচ্য যুক্তিবাক্যে 'মানুষ' বিধেয় পদটি 'কতক জীব' উদ্দেশ্য পদের সাথে 'উপজাতি' নামক বিধেয়ক দ্বারা সম্বন্ধযুক্ত। সুতরাং যুক্তিবাক্যের বিধেয় ও উদ্দেশ্য পদের মধ্যকার সম্পর্ক নির্ণয়ে বিধেয়ক আলোচনার গুরুত্ব অপরিসীম। উল্লেখ্য যে, বিধেয়ক কোনো পদ নয়, বরং এটি হচ্ছে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যকার সম্পর্কের নাম। বিধেয়ক শুধু সদর্থক বাক্যের ক্ষেত্রে থাকে। এটি বিশেষ নয়, সার্বিক। বিধেয়ক যেহেতু একটি শ্রেণির ধারণা সেহেতু এটিকে আমরা চোখে দেখি না, শুধু ধারণাই জানি। সুতরাং বিধেয়ক অমূর্ত। মূলত বিধেয়ক আলোচনার 'মাধ্যমে আমরা কোন বাক্যটি সদর্থক বা নঞর্থক সেটা খুব সহজে বুঝতে পারি। কারণ নেতিবাচক যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদটি বিধেয় পদটি সম্পর্কে কোনো স্বীকৃতি জ্ঞাপন করে না বলে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদটির মধ্যে কোনো সম্পর্ক স্থাপিত হয় না।

5 views

Related Questions