1 Answers

উদ্দীপকে টুম্পা পদের ধরন, ব্যবহার, অর্থ ইত্যাদির ওপর ভিত্তি করে বিশিষ্ট পদকে অর্থপূর্ণ এবং অর্থহীন বলে দাবি করে। পদের প্রকারভেদের মধ্যে অন্যতম হলো বিশেষ পদ বা বিশিষ্ট পদ। যে পদ দ্বারা একটিমাত্র ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় তাকে বিশেষ পদ বলে। 'বিশেষ পদ'কে আবার 'বিশিষ্ট পদ'ও বলা হয়। যেমন- 'ঢাকা', 'রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর', 'পৃথিবীর উচ্চতম পর্বত', 'এ মানুষটি' ইত্যাদি। এই পদগুলোর মধ্যে 'ঢাকা' বলতে একটি মাত্র স্থানকে বোঝায়, 'রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর' বলতে একজন ব্যক্তিকে বোঝায়। বিশিষ্ট পদকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: 'অর্থপূর্ণ বিশিষ্ট পদ' এবং 'অর্থহীন বিশিষ্ট পদ'। যখন কোনো বিশিষ্ট পদ সরাসরি বা প্রত্যক্ষভাবে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে কোনো গুণ বা তাৎপর্যের ভিত্তিতে সেই ব্যক্তি বা বস্তুকে বুঝতে সাহায্য করে তাকে 'অর্থপূর্ণ বিশিষ্ট পদ' বলে। যেমন- 'সূর্যোদয়ের দেশ'- একটি অর্থপূর্ণ বিশিষ্ট পদ। এই পদটি দিয়ে প্রত্যক্ষভাবে 'জাপান'-কে না বুঝিয়ে একটি বিশেষ গুণের ভিত্তিতে যে দেশে প্রথম সূর্যোদয় হয় সে দেশকে বোঝানো হয়েছে। অর্থপূর্ণ বিশিষ্ট পদগুলো হয় বর্ণনামূলক। অন্যদিকে, যে পদ কোনো গুণ বা তাৎপর্যের উল্লেখ ব্যতীত প্রত্যক্ষভাবে সে পদের নির্দেশ দেয়, তাকে 'অর্থহীন বিশিষ্ট পদ' বলে। যেমন- 'টোকিও', 'নিউইয়র্ক' ইত্যাদি। বিশিষ্ট নাম পদকে অর্থহীন বিশিষ্ট পদ বলে। কারণ 'টোকিও' বা 'নিউ ইয়র্ক' নাম না থাকলে তা অর্থহীন হয়ে পড়ে।

4 views

Related Questions