1 Answers
ব্যক্ত্যর্থ হচ্ছে কোনো পদের পরিমাণগত এবং জাত্যর্থ হলো কোনো পদের গুণগত দিক। ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থ একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল। এই সম্পর্ক ব্যক্ত্যর্থ জাত্যর্থের হ্রাস-বৃদ্ধির নিয়মের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায়। ব্যক্ত্যর্থ এবং জাত্যর্থের এই বিষয়টি উদ্দীপকে সজিবের বক্তবে ফুটে উঠেছে।
ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের সম্পর্ক বা হ্রাস-বৃদ্ধির নিয়মটিকে হলো-
১. যদি কোনো পদের ব্যক্ত্যর্থ বাড়ে, তাহলে তার জাত্যর্থ কমে।
২. যদি কোনো পদের ব্যার্থ কমে, তাহলে তার জাত্যর্থ বাড়ে।
৩. যদি কোনো পদের জাত্যর্থ বাড়ে, তাহলে তার ব্যক্ত্যর্থ কমে।
৪. যদি কোনো পদের জাত্যর্থ কমে, তাহলে তার ব্যক্তার্থ বাড়ে।
নিম্নবর্ণিত ছকের সাহায্যে বিষয়টিকে পরিষ্কার করা যাক:
পদের ব্যক্ত্যর্থ | পদের নাম | (আনুমানিক পরিমাণ) | পদের জাত্যর্থ |
সকল জীব | জীব | ২০ লক্ষ কোটি | জীববৃত্তি |
সকল মানুষ | মানুষ | ৬ হাজার কোটি | জীববৃত্তি ও বুদ্ধিবৃত্তি |
সকল সভ্য মানুষ | সভ্য মানুষ | ৩ হাজার কোটি | জীববৃত্তি, বুদ্ধিবৃত্তি ও সভ্যতা |
উপরের ছক থেকে দেখা যায় যে, ক্রমানুসারে 'জীব' 'মানুষ' 'সভ্য → মানুষ'- এই তিনটি পদের মধ্যে 'জীব' পদের ব্যার্থ সবচেয়ে বেশি, 'মানুষ' পদের ব্যক্ত্যর্থ 'জীব' পদের চেয়ে কম এবং 'সভ্য মানুষ' পদের ব্যক্ত্যর্থ সবচেয়ে কম। বিপরীতক্রমে জাত্যর্থের দিক থেকে 'জীব' পদের জাত্যর্থ 'জীববৃত্তি' 'মানুষ' পদের জাত্যর্থ- 'জীববৃত্তি' ও 'বুদ্ধিবৃত্তি' আর 'সভ্য মানুষ' পদের জাত্যর্থ- 'জীববৃত্তি', 'বুদ্ধিবৃত্তি' ও 'সভ্যতা'।