1 Answers
যুক্তিবিদ্যায় ব্যক্ত্যর্থ এবং জাত্যর্থ উভয়ই পদের প্রকৃতি বিশ্লেষণ করে। পরিমাণগত দিক থেকে একটি পদ যেসব বস্তু বা ব্যক্তির ওপর প্রযোজ্য হয়, সেই সব বস্তু বা ব্যক্তির সমষ্টি হচ্ছে পদটির ব্যক্ত্যর্থ। সেদিকে গুণগত দিক থেকে একটি পদ বস্তু বা ব্যক্তির যে সকল আবশ্যিক ও সাধারণ গুণকে বোঝায় সে সকল গুণকে ঐ পদের জাত্যর্থ বলে। ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থ একই পদের দুটি দিক হলেও প্রকৃতিগত দিক থেকে এরা অভিন্ন হয়। তবে ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থ অভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও এদের মধ্যে বেশ পার্থক্য বিদ্যমান। এই বিষয়টি উদ্দীপকের রনির বক্তব্যের মাধ্যমে প্রতীয়মান হয়েছে। কেননা ব্যার্থ পদের সংখ্যা বা পরিমাণগত দিক নির্দেশ করে। আর জাত্যর্থ নির্দেশ করে পদের গুণগত দিক। পদের ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের মধ্যে বিপরীতক্রমে হ্রাস- বৃদ্ধি ঘটে, অর্থাৎ এদের একটি বাড়লে অন্যটি কমে, একইভাবে এদের একটি কমলে অন্যটি বাড়ে। এমন অনেক পদ আছে যেগুলো শুধু ব্যক্ত্যর্থ থাকে। যেমন- নামবাচক পদ। আবার অনেক পদের শুধু জাত্যর্থ থাকে। যেমন- গুণবাচক পদ।