1 Answers
উদ্দীপকে হাসু ইলেক্ট্রনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে পাওনাদারের পাওনা পরিশোধ করতে পারেন।
ইলেক্ট্রনিক ব্যাংকিং পদ্ধতি হলো ব্যাংকিং সুবিধা প্রদানের আধুনিক কৌশল বা পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে অর্থ উত্তোলন, সংগ্রহ, স্থানান্তর, লেনদেন সম্পন্নকরণ, সংরক্ষণ, তথ্য সংগ্রহ, যোগাযোগ ইত্যাদি ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে সম্পাদিত হয়।
উদ্দীপকের হাসু বাংলাদেশের একটি আধুনিক ব্যাংকে হিসাব খুলে ই- ব্যাংকিং সুবিধা গ্রহণ করে। ফলে সে কলকাতায় ভ্রমণে গিয়ে নগদ অর্থের পরিবর্তে ইলেক্ট্রনিক উপায়ে সকল ব্যয় নির্বাহ করে। সে কলকাতা থেকেই বাংলাদেশের একজন পাওনাদারের পাওনা পরিশোধ করে ই-ব্যাংকিং এর মাধ্যমে। ই-ব্যাংকিং অটোমেটেড পদ্ধতি হওয়ায় নিমিষেই অর্থ স্থানান্তর, উত্তোলন, জমাদান এবং অন্যান্য ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পাদন করা হয়। হাসু কলকাতা থেকে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার হিসাব থেকে পাওনাদারের হিসাবে অর্থ স্থানান্তর করে। ফলে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ হাসুর হিসাব থেকে হ্রাস করা হয় এবং পাওনাদারের হিসাবে যোগ করা হয়।
ই-ব্যাংকিং এর মাধ্যমে যেকোনো স্থান থেকে স্বল্প সময়ে নির্ভুলভাবে অর্থ স্থানান্তর করা যায়। তাই বলা যায়, হাসু ই-ব্যাংকিং সুবিধার মাধ্যমে ফান্ড ট্রান্সফার করে পাওনাদারের পাওনা পরিশোধ করে।