1 Answers
উদ্দীপক ই-রিটেইলিং ইন্টারনেট-নির্ভর ব্যবসায়ের উল্লেখ করা হয়েছে যা অত্যন্ত সার্থক বলে আমি মনে করি।
কোনোরূপ মধ্যস্বব্যবসায়ীর সহযোগিতা ব্যতিরেকে সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গ্রাহকদের নিকট পণ্য ও সেবা বিক্রয়ের ব্যবস্থাকেই ই-রিটেইলিং বলে।
উদ্দীপকে মি. রবিনস যাদের নিকট ইন্টারনেটে ফরমায়েশ দিয়ে মালামাল সংগ্রহ করেন তাদের ব্যবসায় পদ্ধতি তার ভালো লাগে। সারাক্ষণ দোকান খুলে রাখতে হয় না। কিন্তু ২৪ ঘন্টায় ইন্টারনেটে মাল কেনাবেচা করতে পারে। অর্থাৎ তিনি ই-রিটেইলিং এর মাধ্যমে ইন্টারনেটে ঘরে বসেই পণ্যসামগ্রী ক্রয় করতে পারেন। ই-রিটেইলিং এ সাধারণত সরাসরি ভোক্তাদের নিকট (B2C) পণ্য বিক্রয় করা হয়ে থাকে। এতে বাড়তি কোনো কর্মচারীর প্রয়োজন হয় না ফলে প্রতিষ্ঠানের ব্যয় হ্রাস পায়। এ প্রযুক্তি ব্যবসায়ের সাথে অন্য ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান এবং ভোক্তার সাথে ব্যবসায়ের বিক্রয়কার্য সম্পাদন করে। সহায়ক যোগাযোগ প্রযুক্তির উপস্থিতিতে ফরমায়েশ প্রদান, মূল্য পরিশোধ কৌশল প্রয়োগ এবং লজিস্টিক সাপোর্ট প্রদানের মাধ্যমে ভোক্তাদের ক্রয় ও সরবরাহ সহায়তা দানে রিটেইলিং পদ্ধতি ব্যবহৃত হচ্ছে।
পরিশেষে বলা যায়, অনলাইন ব্যবসায়ে ইন্টানেটের মাধ্যমে ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যে যোগাযোগ হয়। খুব সহজে এর সাহায্যে মধ্যস্থকারীদের এড়ানো যায়। পাশাপাশি ই-রিটেইলিং পদ্ধতিতে একজন ক্রেতা বা ভোক্তা তার কাঙ্ক্ষিত পণ্য ইন্টারনেটে সার্চ করে অতি সহজেই পেতে পারে।