1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' কোম্পানি তথ্য সংগ্রহের জন্য সামাজিক জরিপ পদ্ধতি প্রয়োগ করে। এ পদ্ধতি ছাড়াও ঘটনা অনুধ্যান পদ্ধতি, পরিসংখ্যান পদ্ধতি এবং পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে।
সমাজ গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হলো ঘটনা অনুধ্যান। সাধারণত একাধিক ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে একটি সাধারণ সূত্রে উপনীত হওয়ার প্রচেষ্টাকে বলা হয় ঘটনা অনুধ্যান পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে কোনো ঘটনার সকল দিক বিশ্লেষণ করা হয় এবং কোনো একজন ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের পূর্ণ বা একটি অংশের দীর্ঘ ইতিহাস তুলে ধরা হয়।
পরিসংখ্যান পদ্ধতির দ্বারা বিভিন্ন সামাজিক ঘটনাবলির মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ণয়ের জন্য গাণিতিক পরিমাপ করা হয়। এ পদ্ধতির সাহায্যে সমাজবিজ্ঞানীরা অপরাধ, দারিদ্র্য, বয়স, সামাজিক স্তরবিন্যাসের মতো বিভিন্ন সামাজিক ঘটনার মধ্যে সম্পর্ক যাচাই করতে পারেন।
পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে মানুষের সামাজিক জীবন পর্যবেক্ষণ করে সামাজিক প্রতিষ্ঠান এবং এর কর্মতৎপরতা পর্যালোচনা করা হয়। যখন কোনো রেকর্ড, উৎস, উপাত্ত লিখন বা মৌখিক তথ্যপ্রাপ্তির সম্ভাবনা থাকে না, তখন পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হয়।
পরিশেষে বলা যায়, সামাজিক জরিপ ছাড়াও উপরোক্ত পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করে 'ক' কোম্পানি তার গবেষণা কার্য সম্পন্ন করতে পারে। এ সকল পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে গৃহীত তথ্যের 'ক' কোম্পানি তাদের চায়ের চাহিদা পুনরায় বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।