1 Answers

উদ্দীপকে বর্ণিত শিল্প গড়ার ক্ষেত্রে সরকারের অভিপ্রায়ের মধ্যে দিয়ে রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের সুসম শিল্পায়ন উদ্দেশ্যের প্রতিফলন ঘটেছে। এক ধরনের ব্যবসায় গড়ে না তুলে বা দেশের একটা অঞ্চলে শিল্প কেন্দ্রীভূত না করে সর্বত্র সকল ধরনের শিল্প গড়ে তোলাকে সুসম শিল্পায়ন বলে। বেসরকারি মালিকরা কেন্দ্রীভূত ব্যবসায় অঞ্চলে ব্যবসায় গড়তে পছন্দ করে। এছাড়া যে ব্যবসায় ভালো করছে সেখানেই বিনিয়োগে আগ্রহ দেখায়। এতে সুসম শিল্পায়ন বাধাগ্রস্ত হয়। এ অবস্থা উত্তরণে দেশের সকল অঞ্চলের উন্নয়নের প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সকল ধরনের শিল্পের উন্নয়নের উদ্দেশ্যেও অনেক সময় রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় পরিচালনা করা হয়।

উদ্দীপকে বেসরকারি মালিকগণ সাজানো-গুছানো ব্যবসায় কেন্দ্রগুলোতে ব্যবসায় গড়তে পছন্দ করেন। কিন্তু সরকার চায় দেশের সর্বত্র শিল্প ও ব্যবসায় গড়ে তুলতে। সরকার এক্ষেত্রে লাভ-ক্ষতির বিষয়টা এত বিবেচনা করে না। জনসাধারণের কল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য সরকার ব্যবসায় ও শিল্প গঠন করে। কেননা দেশের কোনো নির্দিষ্টস্থানে দেশের সকল শিল্প প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীভূত হওয়া রাষ্ট্রের বা - জনগণের জন্য কল্যাণকর নয়। একইভাবে শুধু এক বা দু ধরনের শিল্পের বিস্তৃতিও ঝুঁকিপূর্ণ। তাই বিভিন্ন ধরনের শিল্প দেশের বিভিন্ন না স্থানে গড়ে তুলে দেশে সুসম শিল্পায়ন জাতীয় স্বার্থেই প্রয়োজন। ব্যক্তিমালিকেরা সে ঝুঁকি নিতে চায় না। যা রাষ্ট্র করতে পারে।

এক্ষেত্রে সরকার লাভ ক্ষতির বিষয়টা চিন্তা না করে সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এসব প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত শিল্প গড়ার ক্ষেত্রে সরকারের সুসম শিল্পায়ন উদ্দেশ্যের প্রতিফলন ঘটেছে।

4 views

Related Questions