1 Answers

যে মৌসুমে বৃষ্টিপাত কম হয় সেই মৌসুমে প্রয়োজনীয় পানির চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে বৃষ্টি, বন্যা বা অন্য কোনো উপায়ে জলাধারে পানি ধরে রাখাকে পানি সংরক্ষণ বলে। সেচের বিকল্প ও পানি সংরক্ষরণের ওপর কৃষি কর্মকর্তা যেসব পরামর্শ দিলেন তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

i. সূর্যের তাপে মাটি হতে পানি বাষ্পীভূত হয়ে যায়। এ অবস্থায় যদি মাটির ছিদ্র বন্ধ করে বা মাটিকে আঁটসাঁট করে ধরে রাখা যায় তবে এ বাষ্পীভবন অনেকাংশে রোধ করা যায়।

ii. বৃষ্টির মৌসুম শেষ হওয়ার পর মাটিতে জো আসার সাথে সাথে অগভীর চাষ দিয়ে রাখলে ম্যাটির ওপরের সূক্ষ্ম ছিদ্রগুলো বন্ধ হয়ে যায়।

iii. প্রতি চাষের পর মই দিলেও মাটি আঁটসাঁট হয়ে যায়। শুকনা মাটি, লতাপাতা, কচুরিপানা দিয়ে বীজ বা চারা রোপণের পর মাটি ঢেকে দিলেও রস সংরক্ষিত থাকে। 

iv. বৃষ্টির মৌসুমে জমির বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট গর্ত করেও পানি সংরক্ষণ করে রাখা যায় এবং এই পানি মাটি দ্বারা শোষিত হয়। 

V. মাটির রস দ্রুত শুকাতে থাকলে বীজ গজানোর পর মাটি হালকা আঁচড়ে দিলেও রস সংরক্ষিত থাকে। কৃষকেরা সূর্যালোকের বিপরীতে সারি তৈরি করে ফসল লাগান, এতে ফসলের ছায়া দুই সারির মাঝে পড়ে এবং পানির বাষ্পীভবন কমায়।

সুতরাং, পানি সংরক্ষণের জন্য কৃষি কর্মকর্তা উপর্যুক্ত পরামর্শসমূহ দিলেন।

5 views

Related Questions