1 Answers

স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে খোকন তার খামারে গাভির কৃত্রিম প্রজনন করানোর সিদ্ধান্ত নেয়। নিম্নলিখিত সুবিধাগুলো নিশ্চিত করার জন্য খোকন তার খামারে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে গবাদিপশুর প্রজনন করাবে-

i. কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতিতে অতি অল্প সময়ে দেশি গবাদিপশুর জাত উন্নয়ন করা সম্ভব। 

ii. একটি ষাঁড় দ্বারা একটি গাভিকে একবার স্বাভাবিক প্রজনন করানো যায়। কিন্তু একটি ষাঁড়ের সংগৃহীত বীর্য দ্বারা ২০০- এর অধিক গাভিকে প্রজনন করানো সম্ভব। 

iii. এ প্রজনন পদ্ধতিতে ষাঁড় থেকে গাভিতে রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা একেবারেই থাকে না। 

iv. সকল কৃষকের পক্ষে ভালো জাতের ষাঁড় কেনা ও পালন করা সম্ভব নয়। কারণ উন্নত জাতের ষাঁড় পালন ব্যয়সাপেক্ষ ও কষ্টসাধ্য ব্যাপার। কৃত্রিম প্রজনন প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে কৃষকের এ সমস্যার সমাধান সম্ভব। 

v. কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে উৎপাদিত গবাদিপশু অধিক কর্মদক্ষতাসম্পন্ন হয়, দুধ বেশি দেয় এবং আকারে বড় হয়।

সুতরাং, কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শমতো উন্নতজাতের ষাঁড়ের মাধ্যমে কৃত্রিম প্রজনন করালে খোকন আর্থিকভাবে লাভবান হবে।

4 views

Related Questions