1 Answers

উদ্দীপকের নওগার রাণীনগর গ্রামে বৃষ্টিপাত কম হওয়া ও সেচ সুবিধা না থাকায় কৃষকগণ খরায় ক্ষতিগ্রস্ত হন। খরাপ্রবণ এলাকায় সাধারণত স্বল্পায়ু জাতের আগাম ফসল তোলা যাবে এমন ফসল চাষ করা উচিত।

নওগাঁর রাণীনগর গ্রামে বৃষ্টিপাত কম হয় বলে উক্ত গ্রামের কৃষকদের খরা সহিষ্ণু জাতের ফসল চাষ করতে হবে। যেমন- আমন মৌসুমে বিনা ধান ৭, ব্রি ধান ৩৩ ইত্যাদি একমাস আগে পাকে। এতে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের খরা থেকে ফসলকে রক্ষা করা যায়। আবার বেশ কিছু খরা সহিষ্ণু জাত উদ্ভাবিত হয়েছে। যেমন- আমন মৌসুমে ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭ ইত্যাদি ২১-৩০ দিন খরা সহ্য করতে পারে।

গম চাষের জন্য বিজয়, প্রদীপ, সুফী ইত্যাদি খরা সহিষ্ণু জাত। আখের খরা সহিষ্ণু জাতের মধ্যে রয়েছে ঈশ্বরদী ৩৩, ঈশ্বরদী ৩৭, ঈশ্বরদী ৩৯, ঈশ্বরদী ৪০ ইত্যাদি। খরাপ্রবণ এলাকায় আমন চাষের পর জমিতে রস থাকা অবস্থায়ই ছোলা, মসুর, খেসারি, সরিষা, তিল ইত্যাদি খরা সহনশীল ফসল চাষ করে একটি অতিরিক্ত ফসল হিসেবে তোলা যাবে। এসব ফসলের মধ্যে খরা সহিষ্ণু জাত হলো- বারি ছোলা-৫, বারি বার্লি-৬, বারি বেগুন-৮, বারি হাইব্রিড টমেটো-৩, মেস্তা ইত্যাদি। এসব এলাকায় কুল বাগান করা যেতে পারে কেননা কুল গাছও খরা সহিষ্ণু।

তাই আমি উক্ত গ্রামের কৃষকদের সুবিধামতো উপরের ফসলের যে কোনোটি চাষের পরামর্শ দিবো।

5 views

Related Questions