1 Answers

আকবর আলীর পাটের আঁশ বা ছাল পচানোর কাজটি গতানুগতিক পদ্ধতিতে করতে যথেষ্ট সময় দিলে আমি তা তিনটি উপায়ে করতে পারতাম।

পাট গাছ কাটার পর কাঁচা অবস্থায় গাছ থেকে ছাল ফিতার মতো পৃথক রেখে পচানোকে রিবন রেটিং বলা হয়। পাটের আঁশ বা ছাল পচানোর কাজটি গতানুগতিক পদ্ধতিতে সময় নিয়ে নিম্নোক্ত তিনটি পদ্ধতিতে করা যায়-

i. বড় মাটির চাড়িতে ছালগুলোকে গোলাকার মোড়া বেঁধে সাজিয়ে রেখে পরিষ্কার পানি দিয়ে চাড়িটি ভরে দিতাম। এভাবে একটি বড় চাড়িতে প্রায় ৩০ কেজি ছাল পচাতে পারতাম। 

ii. আমার বাড়ির আশপাশে ছোট ডোবা বা পুকুর বা খাল ইত্যাদি কম গভীরতা সম্পন্ন জলাশয় যদি থাকে তবে ছালগুলোকে গোলাকার মোড়া বেঁধে একটি লম্বা বাঁশের সঙ্গে ঝুলিয়ে পানির মধ্যে ডুবিয়ে রাখতাম। 

iii. বাড়ির আশেপাশে অথবা ক্ষেতের পাশে ১০-১২ ফুট লম্বা, ৬-৮ ফুট প্রস্থ এবং ২ ফুট গভীর গর্ত খুঁড়ে গর্তের তলা ও কিনারা পলিথিন দিয়ে ঢেকে যেকোনো স্থান থেকে পরিষ্কার পানি দিয়ে গর্তটি ভরে সেখানে ছালগুলো পচাতে পারতাম। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে কচুরিপানা দিয়ে ছালের মোড়াগুলো ঢেকে দিতাম।

পরিশেষে বলা যায়, গতানুগতিক পদ্ধতিতে উক্ত পাট পচানোর কাজটি করার জন্য যথেষ্ট সময় দেওয়া হলে উল্লিখিত পদ্ধতিতে আমি তা করতে পারব।

5 views

Related Questions