1 Answers

রাসেলের সার্বিক বিকাশের জন্য বাবুল সাহেবের অনুভূতি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। উদ্দীপকের রাসেল ও তার স্ত্রী চাকরিজীবী হওয়ার কারণে শিশু পুত্রকে গৃহপরিচারিকার হাতে রেখে যান। এতে রাসেলের স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। সে পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে ওঠে। এ অবস্থা দেখে বাবুল বুঝতে পারেন সন্তানের প্রতি দায়িত্ব অবহেলা করার কারণেই সন্তানের এ পরিণতি হয়। তাই তিনি সন্তানের প্রতি কর্তব্যপরায়ণ হতে মনস্থ করেন। তিনি এ অনুভূতির মাধ্যমে একজন আদর্শ পিতার পরিচয় দিয়েছেন। ইসলামে সন্তানের লালন- পালনে পিতার দায়িত্ব অপরিসীম। আল্লাহ তায়ালা সন্তানকে ইসলামি শিক্ষা প্রদান ও সুসন্তান হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব পিতার ওপর আবশ্যক করেছেন। যেমন- আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে লুকমান হাকিমের উক্তি তুলে ধরেছেন-

يُبْنَى لَا تُشْرِكْ بِاللَّهِ إِنَّ الشِّرْكَ لَظُلْمُ العَظِيمُ

অর্থ: হে পুত্র! আল্লাহর সাথে শিরক করো না। নিশ্চয়ই শিরক মারাত্মক জুলুম (সুরা লুকমান: ১৩)। অন্য আয়াতে বলেন, হে আমার পুত্র! সালাত কায়েম করো, সৎকাজের আদেশ দাও ও অসৎকাজে নিষেধ করো এবং বিপদে ধৈর্যধারণ করো (সুরা লুকমান : ১৭)।

রাসুল (স) বলেন, 'তোমাদের সন্তানদের সম্মান করো এবং তাদের ভালো স্বভাব চরিত্র শিক্ষা দাও।' (ইবনে মাজাহ) একথাগুলো থেকে প্রতীয়মান হয় যে, বাবুল সাহেবের সন্তানের জন্য অনুভূতি মূলত কুরআন ও হাদিসের শিক্ষার আলোকে প্রতিফলিত। তিনি ইসলামি পরিবারের গুরুত্ব গভীরভাবে উপলব্ধি করার কারণে তার সন্তানের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সমর্থ হয়েছেন।

4 views

Related Questions