1 Answers
উদ্দীপকের উক্ত সমস্যা তথা বাল্যবিবাহ সম্পর্কে গবেষণায় আমি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির যেসব স্তরগুলো কার্যকর করতে পারি সেগুলো হলো সমস্যা নির্বাচন, সমস্যার সংজ্ঞায়ন, অনুসিদ্ধান্ত প্রণয়ন, তথ্য সংগ্রহ, তথ্যের যথার্থতা ও নির্ভরযাগ্যতা নিশ্চিতকরণ এবং ভবিষ্যদ্বাণী করা।
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রথম কাজ হলো গবেষণার জন্য সমস্যা নির্বাচন। দৈনন্দিন জীবনে নানা ঘটনার মধ্যে গ্রামীণ বাল্যবিবাহ অন্যতম। এটিকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রথমে সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করবে। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির দ্বিতীয় স্তরটি হলো সমস্যার সংজ্ঞায়ন। অর্থাৎ, নির্বাচিত সমস্যাটিকে এমনভাবে সংজ্ঞায়িত করা যাতে তা গবেষণা উপযোগী বা বোধগম্য হয়। তৃতীয়ত উক্ত সমস্যাটি সম্পর্কে অনুসিদ্ধান্ত প্রণয়ন করবে, যা একটি যৌক্তিক পদক্ষেপ। অনুসিদ্ধান্ত গঠন করার পর বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বাল্যবিবাহ সম্পর্কে তথ্য যাচাই- বাছাই করবে। তথ্য সংগ্রহ করার পর গবেষককে তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা ও যথার্থতা নিশ্চিত করতে হবে।
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির স্তরগুলো অনুসরণের মাধ্যমে উক্ত সমস্যা গবেষণায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। এক্ষেত্রে প্রথমে আমাকে সমস্যা চিহ্নিত করতে হবে যা কিনা 'বাল্যবিবাহ'। সমস্যা সংজ্ঞায়নের ক্ষেত্রে বলা যায় দরিদ্রতার সাথে বাল্যবিবাহ যুক্ত এবং এক্ষেত্রে অনুসিদ্ধান্ত হতে পারে- 'দরিদ্রতা বাল্যবিবাহের অন্যতম একটি কারণ।' জরিপ পদ্ধতির মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে তথ্যের যথার্থতা ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করতে হবে। তথ্য যদি অনুসিদ্ধান্তের পক্ষে হয় তাহলে তা গবেষণায় বিষয়কে প্রমাণ করবে এবং ভবিষ্যদ্বাণী করা হবে।
উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উক্ত সমস্যা সম্পর্কে গবেষণায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির স্তরগুলো অনুসরণ ও সে অনুযায়ী যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমেই স্তরগুলো কার্যকর করা সম্ভব।