1 Answers

সমাজবিজ্ঞান গবেষণায় সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হলে একাধিক পদ্ধতির ব্যবহার যুক্তিযুক্ত। এতে ফলাফল নির্ভুল হয়।

সমাজবিজ্ঞান সামগ্রিক সমাজকে নিয়ে আলোচনা করে। সামাজিক সমস্যার ভিন্নতার কারণে সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতির ব্যবহার লক্ষ করা যায়। সমাজ পরিবর্তনশীল এবং বিভিন্ন দেশের সমাজকাঠামোর মধ্যে পার্থক্য বিদ্যমান। সমাজকাঠামোর এ বিভিন্নতাই বিভিন্ন অধ্যয়ন পদ্ধতি উদ্ভবের জন্য দায়ী। সমাজ ও সামাজিক উপাদানসমূহ বিশেষভাবে জটিল প্রকৃতির। এসব সামাজিক বিষয় সম্পর্কে অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে এককভাবে কোনো পদ্ধতিই যথেষ্ঠ প্রতিপন্ন হয় না। এ কারণে সমাজবিজ্ঞানীরা সামাজিক বিষয়াদি অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে অনেকসময় একাধিক পদ্ধতি অনুসরণ করে থাকেন। একাধিক পদ্ধতি অবলম্বন করে গবেষণা পরিচালনা করলে উক্ত গবেষণার মান বৃদ্ধি পায় এবং অধিক গ্রহণযোগ্য হয়।

উদ্দীপকে মামুন তার গবেষণায় একাধিক পদ্ধতির ব্যবহার করে। প্রথমে সে ঐতিহাসিক পদ্ধতিতে নির্ধারিত এলাকার মানুষের পেশা ও আয় সম্পর্কে গবেষণা করে তথ্য সংগ্রহ করে। এ পর্যায়ে তার গবেষণার ফলাফল গ্রহণযোগ্য ঠিকই কিন্তু যখন সে এর সাথে তুলনামূলক পদ্ধতি যুক্ত করে গবেষণা সম্পন্ন করে তখন তার গবেষণার সিদ্ধান্ত নির্ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। দুটি ভিন্ন পদ্ধতিতে আলাদাভাবে একই বিষয়ে গবেষণার মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফল একই হলে উক্ত সিদ্ধান্ত সমাজবিজ্ঞানে অধিকতর গ্রহণযোগ্যতা লাভ করে।

উপরের আলোচনা থেকে বোঝা যায় যে, সমাজবিজ্ঞান গবেষণায় একাধিক পদ্ধতির অবলম্বন সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে যুক্তিযুক্ত।

6 views

Related Questions