1 Answers

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিই বিজ্ঞানের মূল ভিত্তি'- আমি এ বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণভাবে একমত।
সাধারণত বিজ্ঞানসম্মত অনুসন্ধানের সিদ্ধ উপায়কে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয়। বিজ্ঞানী যে যৌক্তিক পদ্ধতিতে সামাজিক ও প্রাকৃতিক বিষয়াবলি বর্ণনা, ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে সাধারণ তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করে তাকেই সাধারণ কথায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয়। জ্ঞান আহরণের উপায় হিসেবে যখন বিজ্ঞানকে বিবেচনায় আনা হয় তখন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। তবে প্রকৃতপক্ষে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি একটি প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। বিজ্ঞানের উদ্দেশ্যাবলি ও বৈশিষ্ট্যাবলির সাথে বিজ্ঞানের কাজ কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ সেটাই পদ্ধতি হিসেবে বিজ্ঞানের যথার্থতা নিরূপণ করে। সকল বিজ্ঞানী বৈজ্ঞানিক সমস্যার সমাধানে প্রয়াসী হন। তাই এক্ষেত্রে তাদের কাজ হয় অনেকটা নিম্নরূপঃ
i. সমস্যা চিহ্নিতকরণ;
ii. সমস্যার স্বরূপ নির্ধারণ;
iii. সমস্যা সম্পর্কে প্রত্যক্ষণ, পঠন ও অন্যান্য বিজ্ঞানীদের প্রদত্ত তথ্যাদি সংগ্রহ;
iv. সমস্যা সম্পর্কিত সংগৃহিত তথ্যাদি সংগঠিতকরণ, বিশেষ করে সমস্যার সমাধানকল্পে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নির্ধারণ।
v. সমস্যার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ঘটনা, প্রত্যক্ষণ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি একটি ধারায় রূপ দেওয়া যাতে একটি সম্ভাব্য উপসংহারে বা সিদ্ধান্তে আসা যায়।
উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি যে, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিই বিজ্ঞানের মূল ভিত্তি।

5 views

Related Questions