1 Answers

উদ্দীপকে আলোচিত বিষয় তথা জেন্ডার বৈষম্য সামাজিক অগ্রগতির অন্তরায়।

দৈহিক পার্থক্যের ওপরে ভিত্তি করে সমাজে নারী ও পুরুষের মধ্যে বিভিন্ন রকম বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে। এর কারণে বিভিন্নভাবে নারীদের মেধা ও মননশীলতাকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। এর ফলে সমাজের সব ক্ষেত্রে নারীরা এখনও যথেষ্ট পিছিয়ে রয়েছে। এ ধরনের বৈষম্য সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব রাখে। আর্থ- সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুন্নয়নের জন্য লিঙ্গভিত্তিক সামাজিক বৈষম্য দায়ী। নারীদেরকে আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নারীদের অংশগ্রহণ নেই বলে আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আমরা এখনও পিছিয়ে আছি। লিঙ্গভিত্তিক সামাজিক বৈষম্যের কারণে আমাদের দেশের নারীদের উচ্চশিক্ষায় নিরুৎসাহিত করা হয়। জেন্ডারের ভিত্তিতে সৃষ্ট সামাজিক বৈষম্যের কারণে নারীরা সমাজের সকল স্তরেই উপেক্ষিত হচ্ছে। তাদের মতামতের কোনো মূল্য দেয়া হয় না। জেন্ডারের ভিত্তিতে সৃষ্ট সামাজিক বৈষম্যের কারণে পরিবার থেকে শুরু করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্রসহ সব ক্ষেত্রেই নারীরা লিঙ্গ বৈষম্যের শিকার হয়। ফলে আমাদের বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলো আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক বিভিন্ন দিক দিয়ে এখনও পিছিয়ে রয়েছে, যা সামাজিক অগ্রগতির অন্তরায় হিসেবে ভূমিকা পালন করছে।

পরিশেষে বলা যায় যে, জেন্ডারের ভিত্তিতেই নারী ও পুরুষের সামাজিকভাবে নির্ধারিত পরিচয়, ভূমিকা, মর্যাদা এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বৈসাদৃশ্যের অবতারণা ঘটেছে।

6 views

Related Questions