1 Answers
'নীতি-নৈতিকতার বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে ছগিরের সন্তানদের মধ্যে শিক্ষার অভাবই মুখ্য।' আমি এ বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণরূপে একমত।
শিক্ষার সর্বজনীন ভূমিকা সর্বব্যাপী। অতীত ও বর্তমানের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনা করে সভ্যতাকে ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত করাই শিক্ষার আসল কাজ। এছাড়া শিক্ষার কাজ হচ্ছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিশ্রমের অভ্যাস, আত্ম-শৃঙ্খলা, সততা সৃষ্টি, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং উপকারধর্মী কাজে অংশগ্রহণের অভ্যাস সৃষ্টি করা। সেবা ও সহযোগিতার মনোভাব এবং স্থানীয় পরিবেশ ও বাস্তব জীবনের প্রয়োজনের সাথে শিক্ষাঙ্গনকে সম্পর্কিত করা প্রয়োজন। আমাদের এমন ধরনের শিক্ষা অর্জন করতে হবে যার মূল জাতীয় সংস্কৃতি ও ধর্মীয় মূল্যবোধের মধ্যে নিহিত রয়েছে। দেশ ও জাতির সেবা করার ইচ্ছা, বিশ্ব ভ্রাতৃত্বের উপলব্ধি ও আন্তর্জাতিক সমঝোতার সৃষ্টি করা শিক্ষার উদ্দেশ্য। অনেক শিক্ষাবিদগণ মনে করেন, শিক্ষার একমাত্র লক্ষ্য হবে ব্যক্তির নৈতিক মান উন্নত করা বা আদর্শ চরিত্র গঠন করা। তাই শিক্ষার মাধ্যমেই জ্ঞান অর্জন এবং মানবীয় গুণাবলির বিকাশ সাধন করা সম্ভব হয়। এজন্যে মানুষের ভেতর মানবীয় গুণাবলির বিকাশ না ঘটলে তাকে সত্যিকার মানুষ হিসেবে গণ্য করা যায় না।
উপরে উল্লিখিত আলোচনার মাধ্যমে আমরা নিঃসন্দেহে বলতে পারি যে, নীতি-নৈতিকতার বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে ছগিরের সন্তানদের মধ্যে শিক্ষার অভাবই মুখ্য।