1 Answers
উদ্দীপকের উল্লিখিত অংশীদারি ব্যবসায়টি টিকে থাকার সম্ভাবনা নেই। কেননা যেকোনো অংশীদার কর্তৃক আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত কর্তৃক উক্ত প্রতিষ্ঠানটির বিলোপসাধন ঘটবে।
আবেদনের প্রেক্ষিতে যদি আদালত কোনো অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপের নির্দেশ প্রদান করে তবে তাকে আদালতের নির্দেশে বিলোপসাধন বলে। আর কোনো অংশীদারের মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে আদালত অংশীদারি কারবারের বিলোপসাধনের নির্দেশ দিতে পারে।
উদ্দীপকে রফিক, শফিক ও করিম একটি অংশীদারি ব্যবসায়ের সদস্য। রফিক সক্রিয় অংশীদার, শফিক নিষ্ক্রিয় অংশীদার এবং করিম নামমাত্র অংশীদার। রফিক মস্তিষ্ক বিকৃতি কারণে কর্তব্য পালনে স্থায়িভাবে অসমর্থ হওয়ায় তার সদস্য পদ বাতিল হবে। আর শফিক ও করিম ইচ্ছা করলে অংশীদারি ব্যবসায়টি পুনঃচুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে চালিয়ে রাখতে পারবেন। তবে শফিক কিংবা করিম ইচ্ছা করলে আদালতে ব্যবসায় ভঙ্গের আবেদনের মাধ্যমে অংশীদারি ব্যবসায়টি আদালতের নির্দেশে বিলোপসাধন ঘটাতে পারে। কেননা কোনো অংশীদারের মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে কিংবা কোন অংশীদার কর্তব্য পালনে চিরতরে অসমর্থ হলে কোনো অংশীদারের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত উক্ত অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপসাধনের নির্দেশ দিতে পারে। তাছাড়া উল্লেখ্য, একটি অংশীদারি কারবার টিকে থাকার জন্য কমপক্ষে দুইজন সাধারণ অংশীদার থাকতে হয় যাদের দায় অসীম হবে। কিন্তু উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি রফিকের মস্তিষ্ক বিকৃতির পর একমাত্র অসীম দায় বহনকারী অংশীদার হলেন শফিক।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের উল্লিখিত অংশীদারি ব্যবসায়টি টিকে থাকার সম্ভাবনা নেই। কেননা যেকোনো অংশীদার ইচ্ছা করলে আদালতে আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে ব্যবসায়ের বিলোপসাধন ঘটাতে পারে।