1 Answers

উদ্দীপকের কৃষি কর্মকর্তার শেষোক্ত বাক্যটি হলো- মাটির বুনট বিবেচনায় রেখে ফসল নির্বাচন করা উচিৎ।

মাটির বুনট বলতে মাটিতে বালিকণা, পলিকণা ও কর্দমকণার পরিমাণকে বোঝায়। মাটির বুনট শ্রেণি থেকে মাটিতে উপস্থিত পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ ও প্রাপ্যতা, পানি ধারণ ও আয়ন বিনিময় ক্ষমতা, উর্বরতা সম্পর্কে জানা যায়। কৃষিকাজের সুবিধার্থে মাটির বুনটকে বেলে, এঁটেল ও দোঁআশ শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। মাটির বুনট পরিবর্তনের সাথে সাথে ফসলের ধরনের যে তারতম্য হয় তা নিচের উদাহরণগুলোর মাধ্যমে জানা যায়-

i. বেলে বুনটের মাটি কৃষি কাজের জন্য উপযোগী নয়। তবে বালির কণা সূক্ষ্ম হলে এবং মাটিতে জৈব পদার্থ প্রয়োগ করলে চিনা, কাউন, তরমুজ, আলু এসব ফসল চাষ করা যায়। 

ii. মাটির বুনট বেলে দোআঁশ প্রকৃতির হলে সেখানে আলু, মুলা, তামাক, মরিচ, টমেটো এসব ফসল ভালো জন্মে। 

iii. মাটির বুনট পলি দোআঁশ প্রকৃতির হলে ধান, পাট, গম, আম, আলু ও শাকসবজি ভালো জন্মে।

iv. এঁটেল দোআঁশ বুনটের মাটিতে ধান, তুলা, গম, ডাল, তেল ফসল ভালো জন্মে। 

V. এঁটেল বুনটের মাটিতে ধান, পাট, আখ ও শাকসবজি ভালো জন্মে।

উপরের আলোচনা থেকে দেখা যায়, মাটির বুনট পরিবর্তনের সাথে সাথে ফসলেরও পরিবর্তন হয়। কাজেই কৃষি কর্মকর্তার শেষোক্ত বাক্যটি যথার্থ ছিল।

4 views

Related Questions