1 Answers

মাইনুলের শেষোক্ত উক্তিটিতে পবিত্র কুরআনের সহজবোধ্যতার কথা ফুটে উঠেছে। আল্লাহ তায়ালা কুরআন মাজিদকে বিশ্ববাসীর জন্য হেদায়াত হিসেবে অবতীর্ণ করেছেন। সমাজের শিক্ষিত সম্প্রদায় থেকে শুরু করে একেবারে প্রান্তিক সাধারণ মানুষের জন্য এ ঐশীগ্রন্থ। পবিত্র কুরআনেই আল্লাহ তায়ালা এটিকে 'সাধারণ মানুষের হেদায়াত' হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

মহাগ্রন্থ আল-কুরআন তাৎক্ষণিকভাবে মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া কোনো কিতাব নয়। এ কিতাবে যুগের সাথে, মানুষের মন মগজে বিদ্যমান কুসংস্কার ও খারাপ চিন্তার সুস্পষ্ট সমাধান বর্ণিত হয়েছে। হঠাৎ অবতীর্ণ কিংবা একত্রে কুরআন নাজিল হলে তার বিধানসমুহ পালন করা মানুষের জন্য কষ্টদায়ক হয়ে যেত। তাইতো খন্ড খন্ড করে এ কিতাবটি অবতীর্ণ হয়েছে। খণ্ডাকারে অবতীর্ণ হওয়ার কারণে মানুষ তার বিধান পালনে অপারগতা পেশ  করেনি। আল্লাহ তায়ালা কুরআনের সহজ হওয়ার সপক্ষে ইরশাদ করেন- 

وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُّدَّكِرُ .

অর্থ: আমি উপদেশ গ্রহণের জন্য পবিত্র কুরআনকে সহজ করে অবতীর্ণ করেছি। সুতরাং কেউ আছ কি যে তার উপদেশ গ্রহণ করবে? (সুরা কামার: ১৭) স্বভাবত পবিত্র কুরআনের তিলাওয়াত শুনলেও সমধুর লাগে। এর একটি আয়াতের সাথে অন্য আয়াতের একটা যোগসূত্র রয়েছে। যতই তিলাওয়াত করা হয় ততই ভালো লাগা কাজ করে, কখনো বিরক্তি ভাব আসে না।

সুতরাং উপরের আলোচনার আলোকে মাইনুলের শেষোক্ত উক্তিতে কুরআন সহজবোধ্য ঐশীগ্রন্থ কথাটি প্রতিফলিত হয়।

4 views

Related Questions